//মুঘল সাম্রাজ্যের ইতিহাস ১৫২৬-১৮৫৭ খ্রি.
মুঘল সাম্রাজ্যের ইতিহাস ১৫২৬-১৮৫৭ খ্রি. Save

মুঘল সাম্রাজ্যের ইতিহাস ১৫২৬-১৮৫৭ খ্রি.

জহিরুদ্দিন মুহম্মদ বাবর ১৫২৬ সালে ইব্রাহীম লোদীকে প্রথম পানিপথের যুদ্বে পরাজিত করার মাধ্যেমে মুঘল সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠা করেন।

মুঘল সাম্রাজ্যের বংশ তালিকা বা সকল সম্রাটঃ
  1. জহির উদ্দিন মুহম্মদ বাবর ( মুগল সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা) (১৫২৬-১৫৩০ খ্রি.)
  2. সম্রাট হুমায়ুন (১৫৩০- ১৫৪০ খ্রি.)
  3. সম্রাট আকবর (১৫৫৬-১৬০৫ খ্রি.)
  4. সম্রাট জাহাঙ্গীর (১৬০৫-১৬২৭ খ্রি.)
  5. সম্রাট শাহজাহান (১৬২৮-১৬৫৮ খ্রি.)
  6. সম্রাট আওরঙ্গজেব (১৬৫৮-১৭০৭ খ্রি.)
  7. সম্রাট দ্বিতীয় বাহাদুর শাহ (১৮৩৭-১৮৫৭ খ্রি.)

১. জহির উদ্দিন মুহম্মদ বাবর(১৫২৬-১৫৩০):

মুঘল সামাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা জহির উদ্দিন মুহম্মদ বাবর ১৪৮৩ সালে ২০ ফেব্রুয়ারি মধ্য এশিয়ার বর্তমান উজবেকিস্তানের ফরগনা রাজ্যে জন্মগ্রহন করেন। তার পিতা ওমর শেখ মির্জা ছিলেন ফরগনা রাজ্যের অধিপতি। পিতার মৃত্যুর পর মাত্র ১১ বছর বয়সে বাবর ফরগনা রাজ্যের সিংহাসন গ্রহণ করেন।

জহির উদ্দিন মুহম্মদ সাহসিকতা ও নির্ভীকতার জন্য ইতিহাসে ‘বাবর’ নামে প্রসিদ্ধি লাভ করেছেন। তিনি পিতার দিক থেকে তৈমুর লঙ এবং মায়ের ‍ুদক থেকে চেঙ্গিস খানের বংশধর ছিলেন। ‘তুযক-ই-বাবুর’ বা বাবুরের আত্মজীবনী নামক গ্রন্থে বাবুর তাঁর জীবনের জয়পরাজয়ের ইতিহাস অতি সুন্দরভাবে লিপিবদ্ধ করেছেন। বাবর খুব দৃঢ় স্পৃহা ছিল। তিনি তার প্রথম স্ত্রী সালতান বেগমের কাছে কিছুটা লাজুক প্রকৃতির ছিলেন যদিও পরে তার প্রতি আগ্রহ হারিয়ে ফেলেন। বাবর তার আত্মজীবনী গ্রন্থে কিশোর বয়সের কামনা বাবুরী নামক এক বালকের সম্পর্কে বেশ গুরুত্বের সাথে ব্যাখ্যা করেন।

মুঘল সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা মাত্র ৪ বছরের শাসনের মাথায় ১৫৩০ মাত্র ৪৭ বছর বয়সে সম্রাট জহির উদ্দিন মৃত্যুবরণ করেন।

২. সম্রাট হুমায়ুন (১৫৩০- ১৫৪০ খ্রি.) :

মুঘল সম্রাট বাবুরের মৃত্যুর পর তার পুত্র হুমায়ুন মুঘল সমাজ্যের সিংহাসন গ্রহণ করেন। দেশ পরিচালনায় তিনি তাঁর বাবাকে সহায়তা করেছিলেন। ১৫২০ সালে, তিনি ১২ বছর বয়সে বাদশানের রাজ্যপাল নিযুক্ত হন। ১৫২৬ সালে বাবর যখন ভারত আক্রমণ করেছিলেন, হুমায়ূন তাঁর সাথে বাদশা থেকে একটি দল নিয়ে যোগ দিয়েছিলেন। এই প্রচারণায় হুমায়ূন প্রথম বিজয় অর্জন করেছিলেন। তিনি কান্নাহার যুদ্ধে অংশ নেওয়ার পাশাপাশি বিভিন্ন আফগান বিদ্রোহীর বিরুদ্ধে তাঁর বাবার শাসনে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। ১৫৩০ সালে তার পিতা বাবরের মৃত্যুর পরে, তিনি তাঁর উত্তরসূরি হিসাবে নির্বাচিত হন। হুমায়ূন তার বাবার মৃত্যুর চার দিন পরে ২৩ বছর বয়সে ৩০ ডিসেম্বর, ১৩০-এ কাছাকাছি সময়ে সিংহাসনে আরোহণ করেছিলেন।

চৌসারের যুদ্ধে ১৫৩৯ সালে পরাজিত হয়ে হুমায়ুন কোনোভাবে প্রাণ নিয়ে দিল্লি পৌছেন। শেরশাহের ক্রমবর্ধমান শক্তির বিচার করতে না পেরে হুমায়ুন ১৫৪০ সালে কানৌজের যুদ্ধে পরাজিত হন। তিনি পলাতক হয়ে সিন্ধু হয়ে ইরানের দিকে পালিয়ে যান। পরর্তীতে পারস্যের সম্রাটের সহায়তায় হুমায়ুন ১৫৫৫ সালে পুনরায় দিল্লি দখল করেন। তিনি ১৫৫৬ সালে দিল্লির অদূরে তাঁরই নির্মিত দীন পানাহ দূর্গের পাঠাগারের সিড়ি থেকে পড়ে গিয়ে মৃত্যুবরণ করেন।

৩. সম্রাট আকবর (১৫৫৬-১৬০৫ খ্রি.):

সম্রাট হুমায়ুনের মৃত্যুর পর সিংহাসন দখল করে করেন তার পুত্র আকবর মাত্র ১৩ বছর বয়সে ১৫৫৬ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি।

আকবর “দ্য গ্রেট” ছিলেন ভারতীয় ইতিহাসের অন্যতম সেরা শাসক। তিনি মুঘল সাম্রাজ্যের তৃতীয় সম্রাট। ভারতবর্ষে শাসনতান্ত্রিক অবস্থা স্থীতিশীল করার লক্ষ্যে তিনি আমলাতান্ত্রিক ব্যবস্থা স্থাপন করেন। অন্যান্য দেশের সাথে বাণিজ্যিক সম্পর্ক বৃদ্ধির লক্ষ্যে ও তিনি মনোযোগ ছিলেন সম্রাট আকবর। তিনি মুঘলদের প্রধানতম প্রতিদন্ধী রাজপুতদের সাথে সম্পর্ক উন্নয়নের জন্য এক রাজপুত নারীকে বিবাহ করেন। এর ফলে মুঘল সাম্রাজ্য এযাবৎ কালের সবচেয়ে বড় সীমানার অদিবাসী হয়। সম্রাট আকবরের শাসন আমলে GDP দিক থেকে মুঘল সাম্রাজ্য সমগ্র বিশ্বের মধ্যে চতুর্থ স্থান নেয়। তিনি দ্বীন-ই-ইলাহি নামে নতুন এক ধর্মমত প্রতিষ্ঠা করেন। এই ধর্মের মাত্র ১৮ জন অনুসারিী।

সম্রাট আকবরের সময়ই মুঘল সাম্রাজ্য সবচেয়ে বিকশিত ছিল আর এজন্য তাকে শ্রেষ্ট মুঘল সম্রাট হিসেবে বিবেচসা করা হয়। ১৬০৫ সালে সম্রাট আকবর মৃত্যুবরন করেন।

৪. সম্রাট জাহাঙ্গীর (১৬০৫-১৬২৭ খ্রি.):

মুঘল সাম্রাজ্যের ৪র্থ সম্রাট জাহাঙ্গীর ১৬০৫ থেকে ১৬২৭ সাল পর্যন্ত মুঘল সাম্রাজ্য শাসন করেন। মাদক ও নারীতে আসক্ত সম্রাট জাহাঙ্গীর শাসন আমলে মুঘল সাম্রাজ্যের ভীত কিছুটা দুর্বল হয়ে পরে তবে তার আমলেই সমগ্র বাংলা অঞ্চল মুঘল সাম্রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত হয়। ১৬১০ সালে সম্রাট জাহাঙ্গীর বাংলার রাজধানী বিহারের রাজমহল থেকে ঢাকায় স্থানান্তর করেন।

তিনি সরকারি কাজে বাংলা ভাষার পাশাপাশি ফর্সি ভাষা প্রচলন করেন। সম্রাট জাহাঙ্গীর ১৬২৭ সালে মৃতুবরন করেন।

৫. সম্রাট শাহজাহান (১৬২৮-১৬৫৮ খ্রি.)

সম্রাট জাহাঙ্গীরের পুত্র শাহজাহান ১৬২৮ সালে মুঘল সাম্রাজ্যের ৫ম সম্রাট হিসেবে দিল্লীর সিংহাসন আরোহন করেন। সম্রাট শাহজাহান আমলকে মুঘল শাসন আমলের স্বর্নযুগ বলে অভিহিত করা হয়। শিল্প সংস্কৃতির বিকাশে সম্রাট শাহজাহানের পৃষ্টপোষকতার স্বীকৃতি হিসেবে তাকে Prince fo Builder হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়।

মমতাজ ছিলেন সম্রাট শাহজাহানের স্ত্রী। সম্রট শাহজাহান তার স্ত্রী মমতাজের প্রতি অকৃত্রিম ভালোবাসার নিদর্শন হিসেবে যমুনা নদীর তীরে দুর্লব পাথরের তৈরি সমাধি সেীধ তাজমহল নির্মান করেন। সম্রাট শাহজাহানের অমর সৃষ্টি হচ্ছে: কোহিনুর হীরা ও মণি মুক্তা খচিত ময়ুর সিংহাসন। সম্রাট শাহজাহান দিল্লিতে লাল কেল্লা, জাম-ই-মসজিদ, দিওয়ান-ই-আম, ‍দিওয়ান-ই-খাস, আগ্রায় মতি মসজিদ এবং লাহোরে সালিমার উদ্যান নির্মাণ করেন।

সম্রাট শাহজাহানের ৪ পুত্রের মধ্যে অন্দরকোন্দলের বলি হিসেবে পুত্র আওরঙ্গজেব তাকে গৃহবন্দী করেন। ১৬৬৬ সালে সম্রাট শাহজাহান আগ্রা দুর্গে বন্দী থাকা অবস্থায় মৃত্যাবরন করেন।

৬. সম্রাট আওরঙ্গজেব (১৬৫৮-১৭০৭ খ্রি.):

সম্রাট আওরঙ্গজেব শাসনামলে ভারতবর্ষে মুঘল সাম্রাজ্য সবচেয়ে শক্তিশালী হিসেবে আবর্ভুতহয়। প্রায় ৪৯ বছরের শাসনামলে অন্তত দৃঢ়তার সাথে মুঘল সামাজ্য পরিচালনা করেন। তার শাসন আমলে জিজিরা কর প্রতা চালু হয়। সহজ সরল জীবন-যপন ও ইসলামি শরীয়ত অনুযায়ী জীবন পরিচালনার জন্য তিনি জিন্দাপীর হিসেবেও পরিচিত ছিলেন। ১৭০৭ সালে আওরঙ্গজেব মৃত্যুবরণ করেন।

৭. সম্রাট দ্বিতীয় বাহাদুর শাহ (১৮৩৭-১৮৫৭ খ্রি.):

শেষ মুঘল সম্রাট ছিলেন বাহাদুর শাহ। সিপাহি বিদ্রোহের পর ১৮৫৮ খ্রিস্টাব্দে তাঁকে রেঙ্গুনে (বর্তমান ইয়াঙ্গুনে) নির্বাসন দেওয়া হয়। ১৮৬২ সালে তিনি রেঙ্গুনে নির্বাসিত অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন এবং রেঙ্গুনেই তাঁকে সমাহিত করা হয়।

মুঘল সাম্রাজ্যের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তর (MCQ):

১. কোন যুদ্ধের মাধ্যমে ভারতের মুঘল সাম্রাজ্যের পতন ঘটেছিল? উত্তরঃ পানিপথের প্রথম যুদ্ধ।

২. প্রথম পানি পথের যুদ্ধ কখন হয়? উত্তরঃ ১৫২৬ খ্রিস্টাব্দে।

৩. বাবর উপমহাদেশে মুগল সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা করেন? উত্তরঃ ১৫২৬ সালে।

৪. ১৫২৬ খ্রিস্টাব্দে পানি পথের প্রথম যুদ্ধে বাবর কাকে পরাজিত করেন? উত্তরঃ ইব্রাহিম লোদী।

৫. কোন যুদ্ধে ইব্রাহিম লোদী বাবরের কাছে পরাজিত হয়? উত্তরঃ পানি পথের প্রথম যুদ্ধে।

৬. বাবর দিল্লির সিংহাসন অধিকার করেন কখন? উত্তরঃ ১৫২৬ সালে।

৭. ভারতের কোন যুদ্ধে প্রথম কামানের ব্যবহার হয়? উত্তরঃ পানিপথের প্রথম যুদ্ধে।

৮. পানিপথ অবস্থিত কোথায়? উত্তরঃ দিল্লির অদূরে।

৯. পানিপথের যুদ্ধ হয়েছিল কোন নদীর তীরে? উত্তরঃ যমুনা।

১০ . পানি পথের দ্বিতীয় যুদ্ধ কোন সালে সংঘটিত হয়? উত্তরঃ ১৫৫৬ সালে।

১১. কোন যুদ্ধে আকবর দিল্লি জয় করেন? উত্তরঃ পানিপথের দ্বিতীয় যুদ্ধে।

১২. পানি পথের তৃতীয় যুদ্ধ হয় কত সালে? উত্তরঃ ১৭৬১ সালে।

১৩. তৃতীয় পানি পথের যুদ্ধে কে কাকে পরাজিত করে? উত্তরঃ আহমদ শাহ আবদালি মারাঠাদিগকে।

১৪. মারাঠা শাসকের উপাধি ছিল? উত্তরঃ পেশোয়া।

15. ভারতবর্ষে মুঘল সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা কে? উত্তরঃ বাবর।

১৬. সম্রাট শাহজাহান মুগল বংশের কততম শাসক? উত্তরঃ পঞ্চম ।

১৭. মুঘল সম্রাট আকবরের পিতামহ কে ছিলেন? উত্তরঃ বাবর।

১৮. শাজাহানের কনিষ্ঠ পুত্র কে? উত্তরঃ মুরাদ।

১৯. শেষ মুঘল সম্রাটের নাম কি? উত্তরঃ দ্বিতীয় বাহাদুর শাহ।

২০. মুঘল সম্রাট বাবরের পুরো নাম কি? উত্তরঃ জহিরউদ্দীন মুহম্মদ বাবর।

২১. ঐতিহাসিক বাবরি মসজিদ ভারতের কোন প্রদেশের অন্তর্ভুক্ত ‍ছিল? উত্তরঃ উত্তর প্রদেশে।

২২. বাবরি মসজিদ ভারতবর্ষের কোন শহরে অবস্থিত ছিল? উত্তরঃ অযোধ্যা।

২৩. শেষ মুঘল সম্রাট বাহাদুর শাহের কবর কোথায়? উত্তরঃ ইয়াঙ্গুন।

২৪. দ্বিতীয় বাহাদুর শাহকে নির্বাসিত করা হয় কোথয়? উত্তরঃ রেঙ্গুনে।

২৫. কোন বিদেশি রাজা ভারতের কোহিনুর মনি ও ময়ুর সিংহাসন লুট করেন? উত্তরঃ নাদির শাহ।

২৬. নাদির শাহ ভারত আক্রমন করেছিলেন কোন সালে? উত্তরঃ ১৭৩৯ সালে।

২৭. আলমগীরনগর কোথায় প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল? উত্তরঃ কুচবিহার।

২৮. শাহজাহানের কন্যা জাহান আরা কোন ভ্রাতাকে সমর্থন করেছিলেন? উত্তরঃ দারা।

২৯. বাংলার মুসলিম শাসনামলে ‘আবওয়াব’ শব্দটি কোন ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হতো? উত্তরঃ খাজনা।

৩০. ‘তাজমহল’ কে প্রতিষ্ঠা করেছেন? উত্তরঃ শাহজাহান।

 

৩১. ‘ময়ূর সিংহাসন’ এর নির্মাতা কে? উত্তরঃ শাহজাহান।

৩২. আগ্রার দুর্গের নির্মাতা কে? উত্তরঃ সম্রাট শাহজাহান।

৩৩. মোঘল সম্রাট জাহাঙ্গীরের সমাধি কোথায়? উত্তরঃ লাহোরে।

৩৪. তাজমহল কোন শতাব্দীতে তৈরি হয়েছিল? উত্তরঃ সপ্তদশ।

৩৫. যে মহিলার সমাধির উপর তাজমহল নির্মিত? উত্তরঃ মমতাজ।

৩৬. ভারতের যে সম্রাটকে ‘আলমগীর’ বলা হতো? উত্তরঃ উওরঙ্গজেব।

৩৭. কখন বাবরি মসজিদ ভাঙ্গা হয়? উত্তরঃ ৬ ডিসেম্বর ১৯৯২।

৩৮. কোন মুঘল সম্রাট বাংলার নাম দেন ‘জান্নাতবাদ’? উত্তরঃ হুমায়ুন।

৩৯. কোন মুঘল সম্রাট তার শাসনকালে বাঙলায় প্রতিষ্ঠা লাভে ব্যর্থ হয়েছিল? উত্তরঃ সম্রাট হুমায়ুন।

৪০. আকবর দিল্লির সিংহাসনে বসার সময় তার বয়স কত ছিল? উত্তরঃ ১৩ বছর।

৪১. কোন মুঘল সম্রাট প্রথম বাংলা জয় করেন? উত্তরঃ আকবর।

৪২. কোন মুঘল সম্রাটের সময় সাম্রাজ্যের সর্বাপেক্ষা বেশি বিস্তার ঘটে? উত্তরঃ আকবর।

৪৩. বাংলায় মুঘল সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা কে? উত্তরঃ আকবর।

৪৪. কখন সম্রাট আকবর বাংলার শাসনভার গ্রহণ করেন? উত্তরঃ ১৫৭৬ সনে।

৪৫. ‘দীন-ই-ইলাহী’ ধর্ম প্রবর্তন করেন কে? উত্তরঃ সম্রাট আকবর।

৪৬. কোন আমলে বাংলা গজল ও সুফি সাহিত্য সৃষ্টি হয়? উত্তরঃ মুঘল আমলে।

৪৭. টোডরমলের নাম কোন সংস্কারের সঙ্গে জড়িত? উত্তরঃ রাজস্ব।

৪৮. টোডরমর কে? উত্তরঃ আকবরের অর্থমন্ত্রী।

৪৯. ‘জিজিয়া’ কি ছিল? উত্তরঃ অমুসলমানদের উপর ধার্য সামরিক কর।

৫০. সম্রাট আকবরের সমাধি কোথায়? উত্তরঃ সেকান্দ্রা।

৫১. বাংলা সনের প্রবর্তক কে? উত্তরঃ সম্রাট আকবর।

৫২. বাংলা নববর্ষ পহেলা বৈশাখ চালু করেছিলেন কে? উত্তরঃ সম্রাট আকবর।