//ব্লগিং কিভাবে শুরু করবো? ব্লগ তৈরি করার সকল গাইডলাইন?
ব্লগিং কিভাবে শুরু করবো? ব্লগ তৈরি করার সকল গাইডলাইন? Save

ব্লগিং কিভাবে শুরু করবো? ব্লগ তৈরি করার সকল গাইডলাইন?

ব্লগিং/Blogging বর্তমান সময়ে খুব জনপ্রিয় একটি মাধ্যম যেখানে আপনি আপনার জ্ঞান, মত ও তথ্য এবং আপনার জানা প্রিয় জিনিস নিয়ে আলোচনা করতে পারবেন, অর্থাৎ আপনি যে বিষয়টির উপর বেশি দক্ষ ঐ বিষয়টি ইন্টারনেটের মাধ্যমে মানুষের মাঝে প্রকাশ করার একটি বড় প্লাটফর্ম হলো ব্লগিং। বর্তমানে মানুষ ব্লগিংকে পেশা হিসেবে বেছে নিচ্ছে এবং ব্লগিং করে অনেক অর্থ আয় করছে। আপনি ব্লগিংয়ের মাধ্যমে আপনার দক্ষতা এবং তথ্য মানুষের সাথে শেয়ার করে, গুগল এডসেন্স এবং অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এর মাধ্যমে প্রচুর ইনকাম জেনারেট করতে পারবেন।

আমাদের আজকের আর্টিকেল এ কি কি থাকছেঃ

  1. ব্লগিং/ব্লগ কি?
  2. ব্লগার কারা?
  3. ব্লগিং শুরু করার পূর্বে আপনার যা জানা প্রয়োজন?
  4. Blogging/ব্লগিং কেন করবেন?
  5. ব্লগিং শুরু করার ধাপ সমূহ?
  6. বাংলায় ব্লগিং শুরু করবো না ইংরেজিতে?
ব্লগিং/ব্লগ কি?

ব্লগ হলো একটি অনলাইন ভিত্তিক ওয়েব পৃষ্টা যেখানে অনেকগুলো পোস্ট, ছবি ও ভিডিও, হার্ড কপির নথি এবং অন্যান্য তথ্য সংবলিত ওয়েব পেইজ থাকে। অর্থাৎ ব্লগকে আমরা ডায়েরি বা জার্নাল এর সাথে তুলনা করতে পারি। যেখানে একজন ব্লগার তারা ব্যক্তিগত দক্ষতা ও ইচ্ছা প্রকাশ করে থাকেন।

blog শব্দটি weblog এর সংক্ষিপ্ত রুপ। ইন্টারনেটে সংযোগ হয়ে আপনি blog তৈরি বা অন্যান্য blogger দের কন্টেন্ট পড়তে পাবেন। সুতরাং ব্লগিংকে আমরা বলতে পারি এটি একটি লেখার কাজ।



ব্লগার কারা?

ব্লগার হলো একজন ব্যক্তি যিনি ব্লগে কন্টেন্ট লিখেন এবং ব্লগ পরিচালনা করেন। অর্থাৎ যিনি ব্লগের জন্য কন্টেন্ট বা আর্টিকেল লিখেন তাকেই ব্লগার বলা হয়। আপনিও একজন ব্লগার হতে পারবেন তারজন্য দরকার একটি ব্লগ শুরু করা এবং ব্লগে লেখা পোস্ট করা।

ব্লগিং শুরু করার পূর্বে আপনার যা জানা প্রয়োজন?

ব্লগিং শুরুর পূর্বেই আপনাকে একটি কোর্স করে নিতে হবে যেমন: ওয়ার্ডপ্রেস, এসইও সম্পর্কে ভালোভাবে ধারণা থাকা লাগবে। আমাদের দেশের অনেক প্রতিষ্ঠান এ ধরণের অনেক কোর্স প্রদান করছে কম খরচে যেমন: বিআইটিএম ও ক্রিয়েটিভ আইটি ইত্যাদি। আপনি চাইলে ইউটিউব থেকেও এইগুলো শিখতে পারবেন। 

ইউটিউব চ্যানেল Md Faruk Khan থেকেও আপনি সম্পূর্ণ  এসইও স্টেপ বাই স্টেপ সহজেই শিখতে পারবেন। তাছাড়াও আরো অনেক চ্যানেল রয়েছে যারা বিভিন্ন ওয়েবসইট ভিত্তিক টিউটরিয়াল ভিডিও পাবলিশ করে।

Blogging/ব্লগিং কেন করবেন?

ব্লগিং শুরু করার অনেক কারণ থাকতে পারে, যেমন আপনি চাইলে আপনার ব্যক্তিগত ব্লগ করতে পারেন বা প্রতিষ্ঠানের জন্য প্রাতিষ্ঠানিক ওয়েবসাইট তৈরি করতে পারেন।

অনেক ব্লগার তাদের সখ হিসেবে ব্লগিং শুরু করেন এবং পরবর্তীতে এটিকে পেশা হিসেবেও বেছে নেন।



ব্লগিং শুরু করার কিছু সাধারণ কারণ:

  • আপনি ব্লগিং করার মাধ্যমে আয় করতে পারবেন। বর্তমানে অনেকেই ব্লগিংকে তাদের পেশা হিসেবে বেছে নিচ্ছে এবং সফলতাও পাচ্ছে।
  • অডিয়েন্ট বা ভিজিটরদের অনুপ্রাণিত করতে। আপনার প্রকাশিত আর্টিকেল পড়ে অনেকেই উপকৃত হবে।
  • জনপ্রিয়তা পেতে বা নিজেকে ব্রান্ড হিসেবে উপস্থাপন করতে ব্লগিং একটি অনত্যম মাধ্যম। যেখানে আপনি আপনার দক্ষতার পরিচয়ে শ্রোতাদের কাছে জনপ্রিয় হতে পারবেন।
  • ব্লগাররা কন্টেন্ট লিখার জন্য অনেক রিসার্স করে থাকে যার ফলে তার চিন্তাধারার উন্নত হয় এবং অনেক ধারণা পাবেন যা আপনার জীবনকে বদলে দেবে।
  • ব্লগাররা একটি সম্প্রদায় এবং অন্যদের ব্লগারের ধারণা, গল্প এবং অভিজ্ঞতার সাথে যোগাযোগ করার জন্য একটি জায়গা তৈরি করতে পারে।
  • ব্লগিং শুরু করা একজন ব্লগারকে প্রযুক্তিগত দক্ষতার বিকাশ করে।

ব্লগিং শুরু করার ধাপ সমূহ?

  1. একটি ব্লগিং প্ল্যাটফর্ম/ বিষয়বস্তু বেছে নিন
  2. একটি ডোমেন নাম এবং ওয়েব হোস্টিং নির্ধারণ করুন
  3. ওয়ার্ডপ্রেস ইনস্টল করুন
  4. ওয়ার্ডপ্রেস থিম পছন্দ করুন এবং ব্লগ ডিজাইন করুন
  5. প্রয়োজনীয় ব্লগিং প্লাগইন ইনস্টল করুন
  6. আপনার ব্লগ চালু করুন
  7. আপনার ব্লগ প্রচার করুন
  8. ব্লগটিকে গুগল এডসেন্স এর জন্য মনিটাইজ করুন



একটি ব্লগিং টপিক/ বিষয়বস্তু বেছে নিনঃ

ব্লগিং শুরু করার জন্য সর্বপ্রথম সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তটি হলো আপনি কোন বিষয়টি নিয়ে লিখতে চাচ্ছেন বা কোন টপিক নিয়ে ব্লগ শুরু করতে চাচ্ছেন। ব্লগিং এর টপিক বা বিষয়বস্তু বেছে নেওয়া সহজ উপায় হলো আপনার যে বিষটি সম্পর্কে ভালো ধারণা বা দক্ষতা আছে সেটি দিয়ে শুরু করা। আপনি যদি কোনও নির্দিষ্ট বিষয়ে বিশেষজ্ঞ হন তবে এটি আরও ভাল। মানসম্পন্ন কন্টেন্ট লেখার মাধ্যমে আপনার ব্লগকে বাড়িয়ে তুলতে সহায়তা করে এবং ভিজিটর বাড়াতে পারবেন।

সর্বাধিক সফল ব্লগগুলি একটি বিষয়ে নিয়ে গড়ে ওঠে, যেমন: মানি মেকিং অনলাইন, রেসিপি, ভ্রমণ গাইড, ফিটনেস, ফ্যাশন ইত্যাদি। তবে আপনি চাইলে একাধিক টপিক নিয়েও কাজ করতে পারেন, এটা সম্পূর্ণ আপনার উপর নির্ভর করে।

ব্লগিং শুরু করার জন্য জনপ্রিয় কয়েকটি টপিক:

  • Health & Fitness
  • Travel Guide
  • Education
  • Fashion and Lifestyle
  • Reviews Blog
  • inspirational blog

একটি ডোমেন নাম এবং ওয়েব হোস্টিং নির্ধারণ করুনঃ

আপনার ব্লগের ডোমেন নামটি নির্ধারণ করাও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় কেননা এই নামেই আপনার ব্লগটি মানুষের কাছে জনপ্রিয়তা পাবে। যেমন আমাদের ব্লগের ডোমেন নেম http://expertpreviews.com। ডোমেন বেছে নেওয়ার সময় ডটকম নেওয়া চেষ্টা করবেন।

ব্লগিং টপিকের সাথে মিল রেখে ডোমেন নেওয়াই সবচেয়ে ভালো কারন ভিজিটররা আরো সিকিউরিটি অনুভব করবে। যদি ডোমেন নেম নেওয়ার আইডিয়ার প্রয়োজন হয় তাহলে গুগলে সার্চ করুন: Domain Name Generator তাহলে আপনি অনেকগুলো প্লাটফর্ম পাবেন যেখানে শুধু একটি ওয়ার্ড লিখলেই অনেকগুলো আইডিয়া পাবেন।

আমাদের দেশের অনেকগুলি ডোমেন হোস্টিং বিক্রেতা সাইট আছে যেমন: https://www.webhostbd.com/(আমাদের ডোমেন এবং হোস্টিং এখান থেকে), https://www.servermore.com/,http://www.emythmakers.com/ এগুলো থেকে যেকোনও একটি থেকে আপনার পছন্দ অনুযায়ী একটি প্লান নিয়ে শুরু করতে পারেন। শুরুতে ছোট প্লান নিয়েই শুরু করতে পারেন ২/৩ হাজারের মধ্যে প্লান বেছে নিতে পারেন।



ওয়ার্ডপ্রেস ইনস্টল করুনঃ

ডোমেন এবং হোস্টিং ক্রয় করার পর আপনাকে লগিং ডিটেইলস দেওয়া হবে। সেখান থেকে আপনি সহজেই ওয়ার্ডপ্রেস ইনস্টল করতে পারবেন। বিশ্বের প্রায় ৩০% ওয়েবসাইট ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে ব্লগ চালাচ্ছেন। ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে ব্লগ পরিচালনা করা এবং এর ব্যবহার খুবই সহজ হওয়ায় এর জনপ্রিয়তা দিন দিন বাড়ছে।

পূর্বে ওয়েবসাইট তৈরি করতে কোডিং জানার প্রয়োজন হতো কিন্তু বর্তমানে ওয়ার্ডপ্রেস এর মাধ্যমে কোন প্রকার কোড জানা ছাড়াই আপনি আপনার সম্পূর্ণ ওয়েবসাইট ডিজাইন করতে পারবেন।

ওয়ার্ডপ্রেস ইনস্টল করার অনেক ভিডিও ইউটিউব এ পাবেন।

ওয়ার্ডপ্রেস থিম পছন্দ করুন এবং ব্লগ ডিজাইন করুনঃ

আপনার ওয়েবসাইটি কেমন দেখাবে তা সম্পূর্ণ নির্ভর করে আপনার থিম নির্বচন এর উপর। ওয়ার্ডপ্রেসে অনেক থিম কালেকশন রয়েছে আপনি আপনার পছন্দ অনুযায়ী যেকোনো একটি বেছে নিতে পারেন। ওয়ার্ডপ্রেস এর অনেক ফ্রি থিম রয়েছে যেগুলো সত্যিই অনেকটা প্রিমিয়াম থিম এর মতো কাজ করে থাকে। আমরা আমাদের ওয়েবসাইটে Newspaper X theme ব্যবহার করছি।

কিছু এডসেন্স ওপটিমাইজড ফ্রি থিমের নাম:

  • ColorMag
  • EditorialMag
  • VMag
  • Maggie Lite
  • Newspaper Magazine
  • CoverNews

এগুলো ছাড়াও অনেক ওয়ার্ডপ্রেস থিম রয়েছে, আপনার পছন্দমতো বেছে নিয়ে ডিজাইন করতে পারেন।



প্রয়োজনীয় ব্লগিং প্লাগইন ইনস্টল করুনঃ

যেহেতু আপনি ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে ব্লগ শুরু করবেন তাহলে আপনাকে কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্লাগইন ইনস্টল করতে হবে। প্লাগইন হলো একটি সফ্টওয়্যার যা আপনার ওয়েবসাইটের বাড়তি ফাংশন বা ফিচার যুক্ত করে যার ফলে আপনার কাজ আরো সহজ হয়ে যায়। মনে রাখবেন বেশি প্লাগইন ইনস্টল করলে আপনার সাইট এর স্পিড পারফরম্যান্স কমে যাবে।

গুরুত্বপূর্ণ কিছু ওয়ার্ডপ্রেস প্লাগইন:

এগুলো প্রায় প্রত্যেকটি ওয়েবসাইটেই থাকে তাছাড়াও অনেক গুরুত্বপূর্ণ প্লাগইন রয়েছে যেগুলো প্রয়োজনের সময় ব্যবহার করতে পারবেন।

আপনার ব্লগ চালু করুনঃ

আপনার ব্লগের থিম ডিজাইন এবং সকল সেটিং পর্ব শেষ করার পরই, ব্লগটিতে আর্টিকেল লিখা শুরু করুন। প্রতিদিন অন্তত দুটি করে আর্টিকেল পোস্ট করুন। আর্টিকেল লিখার সময় অবশ্যই এসইও এর উপর নজর দিবেন যার ফলে গুগলে র‌্যাঙ্কিং এর প্রথম পেইজে থাকবেন। একটি ভালো মানের আর্টিকেল এ কমপক্ষে 500/600 শব্দ থাকা প্রয়োজন তবে তা নির্ভর করে আপনার উপর। গুগলের মতে একটি পেইজে ২৫০ থেকে ৩০০ শব্দ থাকা উচিত।

আর্টিকেল পোস্ট করার সাথে সাথে ব্যাকলিংক তৈরি করুন যা আপনার ওয়েবসাইটের পেজ অথরিটি ও ডোমেন অথরিটি বৃদ্ধি করবে। আপনি যত ভালো কন্টেন্ট লিখবেন তত ভিজিটর ফিডব্যাক পাবেন।



আপনার ব্লগ/Blog প্রচার করুনঃ

ব্লগ প্রচার করার জনপ্রিয় মাধ্যম হচ্ছে সোশ্যাল মিডিয়া যেমন: ফেসবুক, টুইটার, লিনকডিন, বিভিন্ন ফোরাম ইত্যাদি। নতুন ব্লগ শুরু করার সাথে সাথেই ভিজিটর বেশি পাবেন না যার ফলে আপনাকে বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়াতে একটিভ থাকতে হবে। 

যখন আপনার ডোমেন অথরিটি ও পেইজ অথরিটি বেড়ে যাবে তখন আপনার আর্টিকেল গুগলের প্রথম পেইজে থাকবে এবং অনেক ভিজিটর জেনারেট করতে পারবেন। তবে ব্লগে বেশি ভিজিটর বৃদ্ধির জন্য ব্লগাররা তাদের কন্টেন্ট সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করে থাকে।

ব্লগটিকে গুগল এডসেন্স এর জন্য মনিটাইজ করুনঃ

আপনার ব্লগে আর্টিকেল পাবলিশ করার পরই আপনি গুগল এডসেন্স এর জন্য এপ্লাই করতে পারেন তবে অবশ্যই মনে রাখতে হবে কমপক্ষে ২৫/৩০ ভালো মানের আর্টিকেল লিখার পরই এপ্লাই করা ভালো। আমাদের ওয়েবসাইট মনিটাইজ করা হয়েছিল ২৮টি আর্টিকেল পাবলিশ করার পর, কোন প্রকার জামেলা ছাড়াই আমরা মনিটাইজ করতে সফল হয়েছি। 

আমার দেখা অনেক ভালো মানের ব্লগাররা বলে থাকেন ১৫/২০টি আর্টিকেল(ইংরেজিতে) লিখার পরও এডসেন্স মনিটাইজ করা যায়। তবে জামেলা ছাড়া নিশ্চিতভাবে মনিটাইজ পেতে ২০/২৫ ভালো আর্টিকেল হলেই যথেষ্ট।

অনেকে বলে থাকেন এডসেন্স মনিটাইজ পেতে ভিজিটর ম্যাটার করে কিনা, আসলে এডসেন্স মনিটাইজ পেতে ভিজিটর এর উপর নির্ভর করে না, কোন প্রকার ভিজিটর ছাড়াই আপনি আপনার এডসেন্স মনিটাইজ করতে পারবেন তবে এডসেন্স এপ্রুভ হওয়ার পর আপনার ব্লগে ভিজিটর কম থাকলে এডসেন্স এড টেম্পুরারিলি লিমিটেড দেখাবে। অর্থাৎ এড শো করবে না তবে ভিজিটর ‍বৃদ্ধির সাথে সাথে এটি সমাধান হয়ে যাবে।



বাংলায় ব্লগিং/Blogging শুরু করবো না ইংরেজিতে?

বাংলাতে নাকি ইংরেজিতে ব্লগিং শুরু করবেন তা সম্পূর্ণ আপনার উপর নির্ভর করে, তবে ইংরেজিতে ব্লগ শুরু করলে আপনার ইনকাম এর মাত্রা বেশি থাকবে কারন তখন আপনার ভিজিটর থাকবে সম্পূর্ণ ওয়াল্ড ওয়াইড যার ফলে আপনার এডসেন্স এর CPC Rate বেশি থাকবে। আর বাংলাতে ব্লগিং করলে এডসেন্স এর CPC Rate খুবই কম থাকবে। 

উদাহরণ স্বরুপ, যদি আমেরিকান একজন ভিজিটর আপনার এড এ ক্লিক করে তাহলে আপনি প্রায় .৪০ সেন্ট অবদি পেতে পারেন আর যদি বাংলাদেশের কোনও ভিজিটর এড এ ক্লিক করে তাহলে আপনি পাবেন প্রায় .০২/.০৪ সেন্ট পর্যন্ত। তাহলে পার্থক্যটা বুঝতেই পারছেন, সম্পূর্ণ আকাশ-পাতাল পার্থক্য। 

আপনার যদি ইংরেজিতে ভালো ধারণা বা দক্ষতা থাকে তাহলে আপনি ইংরেজিতেই আপনার ব্লগিং/Blogging লাইফ শুরু করতে পারেন। 

যেকোন স্থানে সফলতা পেতে হলে আপনাকে অবশ্যই কঠোর প্ররিশ্রম ও অধ্যাবসায় প্রয়োগ করতে হবে। আপনি আপনার সমস্ত দক্ষতা ও ইচ্ছা শক্তিকে কাজে লাগিয়ে ব্লগিং করে সফলাতা পেতে পারবেন তবে। নতুন ব্লগ শুরু করলে অনেক ধরণের ভুল করবেন কিন্তু ধৈর্যশক্তি কখনো হারাবেন না। 

ধৈর্যশক্তি ও কঠোর মনোবল নিয়ে কাজ শুরু করুন সফলতা আসবেই ইনশাআল্লাহ।