//ক্লাউড কম্পিউটিং কি | ক্লাউড কম্পিউটিং এর সুবিধা/অসুবিধা?
ক্লাউড কম্পিউটিং কি | ক্লাউড কম্পিউটিং এর সুবিধা/অসুবিধা? Save

ক্লাউড কম্পিউটিং কি | ক্লাউড কম্পিউটিং এর সুবিধা/অসুবিধা?

ক্লাউড কম্পিউটিং হল ইন্টারনেটের মাধ্যমে বিভিন্ন পরিষেবা সরবরাহ করা। সহজ কথায়, ক্লাউড কম্পিউটিং মানে আপনার কম্পিউটারের হার্ড ড্রাইভের পরিবর্তে ইন্টারনেটে ডেটা এবং প্রোগ্রামগুলিকে সঞ্চয় এবং অ্যাক্সেস করা। যেখানে আপনি আপনার সংস্থান যেমন ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন, ডেটা স্টোরেজ, সার্ভার, ডাটাবেস, নেটওয়ার্কিং এবং সফ্টওয়্যার এর মতো সরঞ্জাম এবং অ্যাপ্লিকেশন হোস্ট করতে পারেন। ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের প্রক্রিয়াটির একটি উদাহরণ হলো গুগলের জিমেইল।

ক্লাউড কম্পিউটিং কি
  • Save

Image Source: sevaa.com

সুতরাং. আমরা বলতে পারিঃ ক্লাউড কম্পিউটিং একটি ইন্টারনেট-ভিত্তিক কম্পিউটিং যেখানে কেন্দ্রীয় দূরবর্তী সার্ভারগুলি সমস্ত ডেটা এবং অ্যাপ্লিকেশনগুলি সঞ্চয়/বজায় রাখে এবং এর সবচেয়ে সহজ অর্থ হলো ইন্টারনেটে আপনার ডেটা সঞ্চয় করা বা অ্যাক্সেস করা।

Cloud computing অন-ডিমান্ড কম্পিউটিং পরিষেবাদির সরবরাহ করে অর্থাৎ আপনার চাহিদার উপর নির্ভর করে আপনাকে সার্ভার প্রদান করবে। আপনার খরচের পরিমান নির্ভর করবে আপনার মোট চাহিদার উপর।



বিশ্বের শীর্ষ জনপ্রিয় ১০ ক্লাউড কম্পিউটিং সংস্থাঃ

  1. Microsoft Azure
  2. Amazon Web Services (AWS)
  3. Google Cloud Platform
  4. Kamatera
  5. Adobe
  6. IBM Cloud
  7. VMware
  8. Red Hat
  9. Rackspace
  10. Oracle Cloud
সার্ভিসের উপর ভিত্তি করে ক্লাউড কম্পিউটিং তিন প্রকার:
  1. IaaS (Infrastructure as a Service)
  2. PaaS (Platform as a Service)
  3. SaaS (Software as a Service)
ইউজার এর ধরন অনুযায়ী ক্লাউড কম্পিউটিং ৪ প্রকার:
  1. Public cloud
  2. Private cloud
  3. Hybrid cloud
  4. Community cloud

Hybrid cloud:

হাইব্রিড ক্লাউড পাবলিক ক্লাউড এবং প্রাইভেট ক্লাউড ডেটা সেন্টারের সংমিশ্রণ। অর্থাৎ ব্যক্তিগত ক্লাউড পরিষেবা এবং পাবলিক ক্লাউড দ্বারা গঠিত।

হাইব্রিড ক্লাউডের কয়েকটি বড় সরবরাহকারী সংস্থার নাম:

  1. Amazon Web Services (AWS)
  2. Microsoft Azure
  3. Rackspace
  4. EMC Corp
  5. IBM



ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের কিছু উদাহরণ:

  • Gmail
  • Amazon Lumberyard
  • Dropbox
  • Skype and WhatsApp.
  • Spotify
  • Hubspot
  • MySpace
  • Google Drive
  • Facebook, LinkedIn, and Twitter, etc
  • Microsoft Office 365 and Google Docs.
ক্লাউড কম্পিউটিং ব্যবহারের সুবিধা সমূহ:
  1. ক্লাউড কম্পিউটিংয়ে হার্ডওয়ারের কোনও বড় ধরনের বাড়তি ব্যয় নেই। আপনি কেবল এটি চালিত হিসাবে অর্থ প্রদান করতে হবে এবং আপনার সাবস্ক্রিপশন পরিকল্পনার ভিত্তিতে বা আপনার সার্ভার এর চাহিদার ভিত্তিতে অর্থ প্রদান করবেন।
  2. আপনার সুরক্ষা এবং অন্যান্য বিবেচনার উপর নির্ভর করে পাবলিক, প্রাইভেট বা হাইব্রিড স্টোরেজ অফার বেছে নিতে পারেন।
  3. ইন্টারনেটে সংযোগ থাকার মাধ্যমে যে কোনও জায়গা থেকে আপনার প্রয়োজনীয় অ্যাপ্লিকেশনগুলিতে বা ডাটা ব্যবহার করতে পারবেন।
  4. Cloud computing এর নেটওয়ার্ক ব্যাকআপের কারণে হার্ডওয়্যার ব্যর্থতার ফলে ডেটা ক্ষতি হয় না।
  5. ক্লাউড কম্পিউটিং দূরবর্তী সংস্থানগুলি ব্যবহার করে, সার্ভার এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় ডাটাবেস সংস্থাগুলি সংরক্ষণ করে।
  6. ক্রমবর্ধমান বা ওঠানামা করা ব্যান্ডউইথের চাহিদা সহ ব্যবসায়ের জন্য ক্লাউড-ভিত্তিক সমাধানগুলি আদর্শ।
  7. ব্যবসায়ের জন্য Cloud computing সলিউশন আপনাকে অনলাইনে প্রকল্পগুলি সংরক্ষন করতে এবং যখনই প্রয়োজন অ্যাক্সেস করতে সক্ষম করে। এতে আপনার ডাটাবেস ও অন্যান্য ফাইলের নিরপত্তা বৃদ্ধি পায়।
  8. ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের একটি বড় সুবিধা হলো একসাথে অনেক লোকেদের তথ্য ভাগ বা ব্যবহার করার সুয়োগ দিয়ে সহযোগিতা করে।
ক্লাউড কম্পিউটিং ব্যবহারের অসুবিধা সমূহ:
  1. ব্যবহারকারীদের ডেটা অন্য লোকেরা অ্যাক্সেস করতে পারে(হ্যাকিং) এমন ঝুঁকি সর্বদা থাকে।
  2. Cloud computing ইন্টারনেটের উপর নির্ভরশীল। অর্থাৎ আপনাকে অবশ্যই ইন্টারনেটে সংযুক্ত থাকা লাগবে যদি আপনি আপনার সার্ভার ব্যবহার করতে চান।
  3. ক্লাউড পরিষেবা সরবরাহকারী ক্লাউড অবকাঠামোর মালিকানাধীন, পরিচালনা এবং নিরীক্ষণ করেন। গ্রাহক হিসাবে আপনার উপর এটির ন্যূনতম নিয়ন্ত্রণ থাকবে।
  4. Cloud computing এর সংস্থাগুলি মাঝে মাঝে গ্রাহকদের যথাযথ সহায়তা দিতে ব্যর্থ হয়।

যদিও ক্লাউড কম্পিউটিং এর সামান্য অসুবিধা রয়েছে তবে এর অনেক সুবিধার উপর ভিত্তি করে এর জনপ্রিয়তা বাড়ছে।