অনুকার অব্যয় কাকে বলে বা ধ্বন্যাত্মক অব্যয় কাকে বলে

অনুকার অব্যয় কাকে বলে বা ধ্বন্যাত্মক অব্যয় কাকে…

যে সকল অব্যয় কোনো শব্দ বা ধ্বনির অনুকরণে গঠিত হয় তাদেরকে অনুকার অব্যয় বা ধ্বন্যাত্মক অব্যয় বলে। যেমন: শোঁ শোঁ (বাতাসের ধ্বনি), রুম্ঝুম্ (নূপুরের আওয়াজ), ঝম্ঝম (বৃষ্টির শব্দ), বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর, বজ্রের ধ্বনি কড়কড়,…

অলুক দ্বন্দ্ব সমাস কাকে বলে অলুক তৎপুরুষ ও অলুক বহুব্রীহি সমাস কি

অলুক দ্বন্দ্ব সমাস কাকে বলে? অলুক তৎপুরুষ ও…

যে দ্বন্দ্ব সমাসে সমস্যমান কোনো পদের বিভক্তি লোপ পায় না, তাকে অলুক দ্বন্দ্ব সমাস বলে। যেমন: হাতে-কলমে, পথে-ঘাটে, দেশে-বিদেশে, হাতে-নাতে, কোলে-পিঠে, তেলে-বেগুনে, বুকে-পিঠে, হাটে- বাজারে, ঘরে - বাইরে, খেতে - খামারে, সুখে - দুঃখে, হাতে…

অনুসর্গ কি বা অনুসর্গ কাকে বলে অনুসর্গের উদাহরণ দাও

অনুসর্গ কি বা অনুসর্গ কাকে বলে? অনুসর্গের উদাহরণ…

যে সকল অব্যয়পদ বিশেষ্য বা সর্বনামের পরে কখনো স্বাধীনভাবে আবার কখনো শব্দ বিভক্তির ন্যায় বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে অর্থ প্রকাশ করতে সাহায্য করে, তাদেরকে অনুসর্গ বা কর্মপ্রবচনীয় বলে। যেমন: ‘স্বপ্ন দিয়ে তৈরি যে দেশ’ -- এই…

ভাষা কাকে বলে ভাষা কত প্রকার ও কি কি

ভাষা কাকে বলে? ভাষা কত প্রকার ও কি…

বাগযন্ত্রের সাহায্যে তৈরিকৃত অর্থবোধক ধ্বনির সংকেতের সাহায্যে মানুষের মনের ভাব প্রকাশের মাধ্যমকেই ভাষা বলে। এখানে বাগযন্ত্র হলো গলনালি, মুখবিবর, কন্ঠ, জিহ্বা, তালু, দাঁত, নাক ইত্যাদির সমাবেশ। আরো সহজভাবে, মানুষ তার মনের ভাব প্রকাশ করার জন্য…

ণ ব্যবহারের নিয়ম? ণ দিয়ে শব্দ গঠন কর?

ণ ব্যবহারের নিয়ম? ণ দিয়ে শব্দ গঠন কর?

ণ ব্যবহারের নিয়ম সমূহ: ১. ঋ, র, ষ এর পরে মূর্ধন্য(ণ) হয়। যেমন: ঋণ, তৃণ, ঘৃণা, বরণ, বর্ণ, রণ, ভূষণ ইত্যাদি। কয়েকটি বাক্য: তৃণবন স্বরঞ্জিত হয় মুক্তিমায়, সমাজের খারাপ লোকদের সকলে ঘৃণা করে, ঋণ শোধ…

অভিশ্রুতি কাকে বলে? অভিশ্রুতির উদাহরণ দাও?

অভিশ্রুতি কাকে বলে? অভিশ্রুতির উদাহরণ দাও?

অপিনিহিতির প্রভাবজাত ‘ই’ অথবা ‘উ’ ধ্বনি পূর্ববর্তী স্বরধ্বনির সঙ্গে মিলে শব্দের পরিবর্তন ঘটালে তখন তাকে অভিশ্রুতি বলা হয়। অভিশ্রুতিকে অপিনিহিতির পরবর্তী ধাপ বলা হয়। অভিশ্রুতির উদাহরণ হলো: করিয়া > কইরা > করে, মানিয়া > মাইন্যা…

অন্তর্হতি কাকে বলে? অন্তর্হতি এর উদাহরণ দাও?

অন্তর্হতি কাকে বলে? অন্তর্হতি এর উদাহরণ দাও?

যখন পদের মধ্যে কোনো ব্যঞ্জনধ্বনি লোপ পায় তখন তাকে অন্তর্হতি বলা হয়। অর্থাৎ কোন ব্যঞ্জনধ্বনি লোপ পেলে তাকেই অন্তর্হতি বলে। অন্তর্হতি এর উদাহরণ হলো: ফাল্গুন > ফাগুন, ফলাহার > ফলার, আলাহিদা > আলাদা ইত্যাদি।

ব্যঞ্জনচ্যুতি কাকে বলে? ব্যঞ্জনচ্যুতি এর উদাহরণ দাও?

ব্যঞ্জনচ্যুতি কাকে বলে? ব্যঞ্জনচ্যুতি এর উদাহরণ দাও?

যখন পাশাপাশি দুইটি একই উচ্চারণের ব্যঞ্জনধ্বনি থাকে এবং তাদের মধ্যে একটি লোপ পায় তখন তাকে ব্যঞ্জনচ্যুতি বলা হয়। অর্থাৎ পাশাপাশি একই উচ্চারণের দুটি ব্যঞ্জনধ্বনির একটি লোপ পেলে তাকে ব্যঞ্জনচ্যুতি বলে। ব্যঞ্জনচ্যুতি এর উদাহরণ হলো: বড়…