//বাক্য সংকোচন বা বাক্য সংক্ষেপণ |৭৫০+ এক কথায় প্রকাশ
বাক্য সংকোচন বা বাক্য সংক্ষেপণ |৭৫০+ এক কথায় প্রকাশ Save

বাক্য সংকোচন বা বাক্য সংক্ষেপণ |৭৫০+ এক কথায় প্রকাশ

বাক্য সংকোচন হলো কোনো বাক্য বা বাক্যাংশকে একপদীকরণ বা একশব্দে প্রকাশ করা। বাক্য সংকোচন অর্থ বাক্যকে সংক্ষিপ্ত করা বা ছোট করা। বাক্যকে ছোট করা বা সংক্ষিপ্ত করার অর্থ এই নয় যে একটি দীর্ঘ বাক্যকে ছোট বাক্যে পরিণত করা।

বাক্য সংকোচন এর ক্ষেত্রে বাক্যের অর্থের কোনো পরিবর্ত বা সংকোচন হয় না, বরং অর্থ সম্পূর্ণভাবে রক্ষিত থাকে এবং আরো আকর্ষণীয় হয়ে ওঠে।

ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় বলেন, “ অনেক ক্ষেত্রে দুই বা তার বেশি পদের অর্থ একটিমাত্র কথায় বা শব্দে প্রকাশ করা যেতে পারে। অর্থাৎ একাধিক পদের অর্থ অক্ষুণ্ণ রেখে একটি পদে সংকুচিত করা যেতে পারে। এই রুপ একাধিক পদকে এক পদে সংকুচিত করাকে বলে পদ সংকোচন।”

গুরুত্বপূর্ণ বাক্য সংকোচন বা বাক্য সংক্ষেপণ/এক কথায় প্রকাশ (অ-হ) পর্যন্তঃ

[অ]

১. অনুসন্ধানের ইচ্ছা —– অনুসন্ধিৎসা
২. অতিক্রমের যোগ্য —- অতিক্রমণীয়
৩. অগ্রে গমন করে যে — অগ্রগামী
৪. অতি উচ্চ ধ্বনি ———মহাধ্বনি
৫. অতিশয় রমণীয় ——– সুরম্য
৬. অনুচিত বল প্রয়োগকারী — হঠকারী
৭. অতি উচ্চ রোল – এর এক কথায় প্রকাশ কি—- উতরোল
৮. অবিবাহিত রাখা যায় না এমন নারী ————–অরক্ষণীয়া
৯. অণুকে দেখা যায় যার দ্বারা ———- অণুবীক্ষণ
১০. অল্পকাল স্থায়িত্ব যার —————- ক্ষণস্থায়ী
১১. অনেক অভিজ্ঞতা আছে যার —— বহুদর্শী
১২. অকালে পক্ব হয়েছে যা————– অকালপক্ব
১৩. অল্প কথা বলে যে- এর বাক্য সংকোচন কি?— অল্পভাষী
১৪. অক্ষির অগোচরে- এর বাক্য সংকোচন কি?—  পরোক্ষ
১৫. অনেকের মধ্যে একজন—- অন্যতম
১৬. অহংকার নেই যার ———– নিরহংকার
১৭. অভিজ্ঞতার অভাব আছে যার- অনভিজ্ঞ
১৮. অগ্রসর হয়ে অভ্যর্থনা———- প্রত্যুদগমন
১৯. অতি উচ্চ বিকট হাসি ———- অট্টহাসি
২০. অতি আসন্ন – এর বাক্য সংকোচন কি?— অত্যাসন্ন
২১. অবলীলার সঙ্গে- এর বাক্য সংকোচন কি?—  সাবলীল
২২. অন্তরের ভাব জানেন যিনি- এর বাক্য সংকোচন কি?—  অন্তর্যামী
২৩. অন্ধকার রাত্রি -এর এক কথায় প্রকাশ কি?– তামসী
২৪. অণ্বেষণ করার ইচ্ছা-এর এক কথায় প্রকাশ কি?– অণ্বেষা
২৫. অবশ্যই যা হবে- অবশ্যম্ভাবী
২৬. অশ্বের চালক – সাদি, সারথি
২৭. অলংকারের ধ্বনি — শিঞ্জন
২৮. অন্য গতি নেই যার– অগত্যা
২৯. অন্তর্গত অপ যার — অন্তরীপ
৩০. অন্য দিকে মন যার — অন্যমনা
৩১. অন্ত নেই যার — অনন্ত
৩২. অধ্যাপনা করেন যিনি — অধ্যাপক
৩৩. অন্য কোনো গতি নেই যার — অনন্যগতি
৩৪. অনায়াসে যা লাভ করা যায়— অনায়াসলভ্য
৩৫. অরিকে জয় করেছে যে —— অরিজিৎ
৩৬. অল্প পরিশ্রমে শ্রান্ত নারী—– ফুলটুসি
৩৭. অর্থহীন উক্তি-এর এক কথায় প্রকাশ কি?– প্রলাপ
৩৮. অতিকষ্টে যা নিবারণ করা যায় — দুর্নিবার
৩৯. অতর্কিত অবস্থায় হত্যাকারী বা আক্রমণকারী–আততায়ী
৪০. অগ্র-পশ্চাৎ ক্রম অনুযায়ী- আনুপূর্বিক
৪১. অন্য উপায় নেই যার— অনন্যোপায়
৪২. অন্য লোক-এর এক কথায় প্রকাশ কি?–লোকান্তর
৪৩. অন্য জন্ম — জন্মান্তর
৪৪. অন্য কাল — কালান্তর
৪৫. অন্য দেশ — দেশান্তর
৪৬. অন্য গ্রাম — গ্রামান্তর
৪৭. অন্য মত — মতান্তর
৪৮. অন্য বারে(অন্য সময়ে) — বারান্তর
৪৯. অতিক্রম করা যায় না যা — অনতিক্রম্য, অনতিক্রমণীয়
৫০. অশ্বের ডাক -এর এক কথায় প্রকাশ কি?– হ্রেষা




৫১. অস্ত্রের দ্বারা উপচার — অস্ত্রোপচার
৫২. অবিবাহিত কন্যার গর্ভজাত সন্তান — কালীন
৫৩. অক্ষির সমক্ষে বর্তমান — প্রত্যক্ষ
৫৪. অশ্ব রাখার স্থান — আস্তাবল
৫৫. অন্য গতি -এর এক কথায় প্রকাশ কি?– গত্যন্তর
৫৬. অন্য কোনো কর্ম নেই যার — অনন্যকর্মা
৫৭. অবিবাহিত ব্যক্তি — অকৃতদার, অনূঢ়
৫৮. অহনের অপর অংশ — অপরাহ্ন
৫৯. অহনের মধ্য অংশ — মধ্যাহ্ন
৬০. অহনের পূর্বাংশ — পূর্বাহ্ন
৬১. অর্ধেক সম্মত — নিমরাজি
৬২. অভ্রকে লেহন করে যে — অভ্রংলেহী
৬৩. অব্যক্ত মধুর ধ্বনি — কলতান
৬৪. অপকার করার ইচ্ছা — অপচিকীর্ষা
৬৫. অন্ন ভক্ষণ করে যে প্রাণ ধারণ করে — অন্নগতপ্রাণ
৬৬. অনুকরণ করার ইচ্ছা — অনুচিকীর্ষা
৬৭. অগ্র পশ্চাৎ বিবেচনা না করে যে কাজ করে — অবিমৃষ্যকারী

[] -এর বাক্য সংকোচন:

৬৮. আমার সদৃশ — মাদৃশ
৬৯. আত্মাকে অধিকার করে — অধ্যাত্ম
৭০. আবক্ষ জলে নেমে স্নান — অবগাহন
৭১. আরোহন করে যে — আরোহী
৭২. আদি নেই যার — অনাদি
৭৩. আপনাকে ভুলে থাকে যে — আত্মভোলা
৭৪. আদি থেকে অন্ত পর্যন্ত — আদ্যন্ত
৭৫. আকাশ ও পৃথিবী — ক্রন্দসী
৭৬. আকাশ মাধ্যমে আগতবাণী — আকাশবাণী
৭৭. আইন বিরোধী -এর এক কথায় প্রকাশ কি?– বে – আইনি
৭৮. আপনাকে কৃতার্থ মনে করেন যিনি — কৃতার্থম্মন্য
৭৯. আয় বুঝে যিনি ব্যয় করেন — মিতব্যয়ী
৮০. আপনার রং লুকায় যে — বর্ণচোরা
৮১. আকাশ স্পর্শ করে যা — আকাশস্পর্শী
৮২. আপনাকে কেন্দ্র করে যার চিন্তা — আত্মকেন্দ্রিক
৮৩. আঘাতের বদলে আঘাত — প্রত্যাঘাত, প্রতিঘাত
৮৪. আপনাকে যে হত্যা করে — আত্মঘাতী
৮৫. আয়ুর জন্য হিতকর — আয়ুষ্য
৮৬. আট প্রহর যা পরা হয় — আটপৌরে
৮৭. আকাশে বেড়ায় যে -এর এক কথায় প্রকাশ কি?– খেচর, আকাশচারী
৮৮. আচারে যার নিষ্ঠা আছে -এর এক কথায় প্রকাশ কি?– আচারনিষ্ঠ
৮৯. আপনাকে যে পণ্ডিত মনে করে — পণ্ডিতম্মন্য
৯০. আল্লাহর অস্তিত্বে বিশ্বাস আছে যার — আস্তিক
৯১. আল্লাহর অস্তিত্বে বিশ্বাস নেই যার — নাস্তিক
৯২. আরাধনার যোগ্য — আরাধ্য
৯৩. আকস্মিক দুর্দৈব — উপদ্রব
৯৪.  আজন্ম শত্রু — জাতমত্রু
৯৫. আকালের বছর — দুর্বছর
৯৬. আকাশে যে বিচরণ করে — নভোচারী
৯৭. আগামীকালের পরের দিন  — পরশু
৯৮. আঘাতের বিপরীত — প্রত্যাঘাত, প্রতিঘাত

[]

৯৯. ইক্ষু হতে জাত — ঐক্ষব
১০০. ইহার তুল্য — ঈদৃশ




১০১. ইতি মধ্যকার ঘটনা — ইদানীং
১০২. ইহলোক বিষয়ক — ঐহিক
১০৩. ইষ্টক নির্মিত গৃহ — অট্টালিকা
১০৪. ইতিহাস বিষয়ে অভিজ্ঞ ‍যিনি — ইতিহাসবেত্তা
১০৫. ইন্দ্রিয়কে জয় করেছে যে — জিতেন্দ্রিয়
১০৬. ইতিহাস রচনা করেন যিনি — ঐতিহাসিক
১০৭. ইহলোকে যা সামান্য নয় – এর বাক্য সংকোচন কি?— অলোকসামান্য
১০৮. ইসলামি শাস্ত্র অনুযায়ী নির্দেশ — ফতোয়া

[ঈ]

১০৯. ঈশ্বর বিষয়ক — ঐশ্বরিক
১১০. ঈশ্বরের ভাব — ঐশ্বর্য
১১১. ঈষৎ নীল — আনীল
১১২. ঈষৎ কৃষ্ণ — কালচে
১১৩. ঈষৎ হাস্য — স্মিত
১১৪. ঈষৎ কম্পিত — আধুত
১১৫. ঈষৎ মধুর — আমধুর
১১৬. ঈষৎ উষ্ণ — কবোষ্ণ
১১৭. ঈষৎ নীলবর্ণ — নীলাভ
১১৮. ঈষৎ রক্তবর্ণ — আরক্ত
১১৯. ইষৎ আমিষ গন্ধ যার – এর বাক্য সংকোচন কি?– আঁষটে

[উ]

১২০. উপকারীর অপকার করে যে — কৃতঘ্ন
১২১. উপকারীর উপকার স্বীকার করে যে — কৃতজ্ঞ
১২২. উপকার করার ইচ্ছা — উপচিকীর্ষা
১২৩. উপকারীর উপকার যে স্বীকার করে না — অকৃতজ্ঞ
১২৪. উপকারের বদলে উপকার — প্রত্যুপকার
১২৫. উদর সম্পর্কিত — ঔদরিক
১২৬. উত্তর দিক সম্পর্কিত — উদীচ্য
১২৭. উলু উলু ধ্বনি — অলোলিকা
১২৮. উপসনার যোগ্য — উপাস্য
১২৯. উদ্ভিদের নতুন পাতা — পল্লব/কিশলয়
১৩০. উদ্দাম নৃত্য – এর বাক্য সংকোচন কি?— তাণ্ডব
১৩১. উদগীরণ করা হয়েছে এমন — উদগীর্ণ
১৩২. উপন্যাস রচিয়তা — ঔপন্যাসিক
১৩৩. উচ্চ হাস্যকারী – এর বাক্য সংকোচন কি?— অট্টহাসক
১৩৪. উল্লেখ করা হয় না যা — ঊহ্য
১৩৫. উদিত হচ্ছে যা — উদীয়মান
১৩৬. উপস্থিত বুদ্ধি প্রয়োগের ক্ষমতা — প্রত্যুৎপন্নমতিত্ব
১৩৭. উত্তপ্ত করা হয়েছে — উত্তাপিত
১৩৮. উপায় নেই যার — নিরুপায়

[ঊ]

১৩৯. ঊর্ধ্বদিকে গমন করে যে — ঊর্ধ্বগামী
১৪০. ঊর্ধ্বদিকে গতি যার — উর্ধ্বগতি
১৪১. ঊর্ধ্ব থেকে নেমে আসা — অবতরণ
১৪২. উর্ধ্ব মুখে সাঁতার — চিৎসাঁতার
১৪৩. ঊরুর হাড় — ঊর্বস্থি

[ঋ]

১৪৪. ঋষির তুল্য -এর এক কথায় প্রকাশ কি?– ঋষিতুল্য
১৪৫. ঋতুতে ঋতুতে যজ্ঞ করেন যিনি — ঋত্বিক
১৪৬. ঋণশোধে অসমর্থ — দেউলিয়া
১৪৭. ঋষির ন্যায় -এর এক কথায় প্রকাশ কি?– ঋষিকল্প
১৪৮. ঋণ নেয় যে — অধমর্ণ
১৪৯. ঋণ দেয় যে — উত্তমর্ণ

[এ]

১৫০.  এক থেকে শুরু করে ক্রমাগত — একাদিক্রমে




১৫১. এক স্থান থেকে অন্য স্থানে ঘুরে ঘরে বেড়ায় যে — যাযাবর
১৫২. এক তারযুক্ত বাদ্যযন্ত্র — একতারা
১৫৩. এক দিকে দৃষ্টি যার — একচোখা
১৫৪. এক দিন আয়ু বিশিষ্ট — ঐকাহিক
১৫৫. এক দিনে তিন তিথির যোগ — ত্র্যহস্পর্শ
১৫৬. এক বিষয়ে যার চিত্ত নিবিষ্ট — একাগ্রচিত্ত
১৫৭. এক ভাষার মধ্যে অন্য ভাষার প্রয়োগ — বুকনি
১৫৮. একই মাতার গর্ভ জাত ভাই — সহোদর
১৫৯. একই সময়ে — যুগপৎ
১৬০. একই সময়ে বর্তমান — সমসাময়িক
১৬১. একই কালে বর্তমান — সমকালীন
১৬২. একই গুরুর শিষ্য — সতীর্থ
১৬৩. একই অর্থের শব্দ — প্রতিশব্দ
১৬৪. এ পর্যন্ত যার শত্রু জন্মায়নি — অজাতশত্রু
১৬৫. একের পরিবর্তে অনেক — বিকল্প
১৬৬. একের পরিবর্তে অপরের সই — বকলম
১৬৭. একবার শুনলে যার মনে থাকে — শ্রুতিধর
১৬৮. একসঙ্গে যারা যাত্রা করে — সহযাত্রী
১৬৯. এঁটেল ও বেলে মাটির মিশ্রণ — দোআঁশ

[ঐ]

১৭০. ঐক্যের অভাব আছে যার — অনৈক্য
১৭১. ঐশ্বর্যের অধিকারী যিনি -এর এক কথায় প্রকাশ কি?– ঐশ্বর্যবান/ ভগবান

[ও]

১৭২. ওষ্ঠ ও অধর — ওষ্ঠাধর
১৭৩. ওষধি থেকে উৎপন্ন — ঔষধ
১৭৪. ওষ্ঠের দ্বারা উচ্চারিত — ওষ্ঠ্য
১৭৫. ওজন করা হয় যে যন্ত্রের সাহায্যে — তুলাদণ্ড

[ঔ]

১৭৬. ঔষধের বিপণি -এর এক কথায় প্রকাশ কি?– ঔষধালয়
১৭৭. ঔষধের আনুষঙ্গিক সেব্য — অনুপান

[ক]

১৭৮. কর্ম সম্পাদনে পরিশ্রমী — কর্মঠ
১৭৯. কর্ম করার শক্তি যার নেই — অকর্মণ্য
১৮০. কর্ণ পর্যন্ত — আকর্ণ
১৮১. কণ্ঠ পর্যন্ত — আকণ্ঠ
১৮২. কালে যা ঘটে — কালীন
১৮৩. কাচের তৈরি ঘর — শিশমহল
১৮৪. কৃষি থেকে উৎপন্ন — কৃষিজ
১৮৫. কৃষ্ণপক্ষের শেষ তিথি — অমাবস্যা
১৮৬. কেউ যা জানে না — অজ্ঞাত/অজানা
১৮৭. কাম ক্রোধ লোভাদির বশীভূত — অজিতেন্দ্রীয়
১৮৮. কথা যে বলতে পারে না — অবলা
১৮৯. কোথাও উঁচু কোথাও নিচু — বন্ধুর
১৯০. কখনও যা চিন্তা করা যায় না — অচিন্ত/অচিন্তনীয়
১৯১. কী করতে হবে স্থির করতে না পারা — কিংকর্তব্যবিমূঢ়
১৯২. কুকুরের পায়ের মতো পা যার — শ্বাপদ
১৯৩. কুকুরের ডাক — -এর এক কথায় প্রকাশ কি?– বুক্কন
১৯৪. কুৎসিত আকার যার — কদাকার
১৯৫. কূলের বিপরীত — প্রতিকূল
১৯৬. কোনো কিছুতে ভয় নেই যার — অকুতোভয়
১৯৭. কাজের যোগ্য — কেজো
১৯৮. করা হয়েছে যা — কৃত
১৯৯. ক্রিয়া দ্বারা নিষ্পন্ন — কৃত্রিম
২০০. কল্পনার দ্বারা রচিত মূর্তি — ভাবমূর্তি




২০১. কিছু বলতে যার ঠোঁট বাদে না — ঠোঁটকাটা
২০২. কষ্টে অতিক্রম করা যায় না — দূরতিক্রম্য
২০৩. ক্রিয়ার বিপরীত — প্রতিক্রিয়া
২০৪. কানায় কানায় জলে পূর্ণ — টইটুম্বুর

[খ]

২০৫. খাবার যোগ্য -এর এক কথায় প্রকাশ কি?–খাদ্য
২০৬. খাবার ইচ্ছা — ক্ষুধা
২০৭. খাওয়ার জন্য যে খরচ — খাইখরচ
২০৮. খাতাপত্র রাখার ঘর — দপ্তরখানা
২০৯. খরচের হিসাব নেই যার — বেহিসেবী
২১০. খুব দীর্ঘ নয় — নাতিদীর্ঘ
২১১. খ্যাতি আছে যার — খ্যাতিমান
২১২. খাদ নেই যাতে — নিখাদ

[গ]

২১৩. গোপন করার ইচ্ছা — জুগুপ্সা
২১৪. গোরু রাখার স্থান — গোশালা
২১৫. গোরুর মতো নিরীহ — গোবেচারা
২১৬. গোরুর দুধ থেকে জাত — গব্য
২১৭. গোরু চলাচলের পথ — গোপথ /গোপাট
২১৮. গম্ভীর ধ্বনি — মন্দ্র
২১৯. গৃহে থাক যে — গৃহস্থ
২২০. গ্রন্থ রাখার গৃহ — গ্রন্থাগার
২২১. গাড়ি চালায় যে — গাড়োয়ান
২২২. গৈরিক বর্ণে রঞ্জিত — গেরুয়া
২২৩. গ্রহণ করার যোগ্য — গ্রাহ্য
২২৪. গুরুর ভাব — গরিমা
২২৫. গভীর রাত্রি — নিশীথ
২২৬. গমন করতে পারে যে — জঙ্গম
২২৭. গণনার অযোগ্য — নগণ্য
২২৮. গ্রহন করার ইচ্ছা — জিঘৃক্ষা
২২৯. গৃহের অভ্যন্তরে গৃহ — অন্তগৃহ
২৩০. গরু রাখার স্থান –গোহাল
২৩১. গরুর ডাক — হাম্বা
২৩২. গরু চরায় যে — রাখাল

[ঘ]

২৩৩. ঘোড়ার ডাক — হ্রেষা
২৩৪. ঘোড়া রাখার স্থান — আস্তাবল
২৩৫. ঘোড়ায় টানা গাড়ি — ঘোড়াগাড়ি
২৩৬. ঘোড়ার গাড়ির চালক — কোচোয়ান
২৩৭. ঘোলার ভাব — ঘোলাটে
২৩৮. ঘটকের কাজ — ঘটকালি
২৩৯. ঘন লোম বিশিষ্ট — লোমশ

[চ]

২৪০. চিরস্থায়ী নয় — নশ্বর
২৪১. চৈত্র মাসের ফসল — চৈতালি
২৪২. চিরকাল মনে রাখার যোগ্য — চিরস্মরণীয়
২৪৩. চক্ষুর সম্মুখে সংঘটিত — চাক্ষুষ
২৪৫. চক্ষুলজ্জাহীন ব্যক্তি — চশমখোর
২৪৬. চোখে দেখা যায় যা — প্রত্যক্ষ
২৪৭. চার রাস্তার মিলন স্থল — চৌরাস্তা
২৪৮. চুষে খেতে হয় যা — চোষ্য
২৪৯. চিবিয়ে খেতে হয় যা — চর্ব্য
২৫০. চিত্রকর্মের কাঠামো — নকশা
২৫১. চালচলনের উৎকর্ষ— সভ্যতা
২৫২. চোখে যার লজ্জা নেই — চশমখোর।

[ছ]

২৫৩. ছেদনের যোগ্য -এর এক কথায় প্রকাশ কি?– ছেদ্য
২৫৪. ছেঁকে নেওয়া হয়েছে এমন — ছানিত
২৫৫. ছয় মাস পর পর ঘটে যা — ষান্মাসিক
২৫৬. ছয় পদ আছে যার — ঘট্পদ
২৫৭.  ছয় মাস অন্তর -এর এক কথায় প্রকাশ কি?– ষান্মাসিক
২৫৮. ছন্দে নিপুন যিনি — ছান্দসিক
২৫৯. ছল করে কান্না — মায়াকান্না
২৬০. ছিন্ন বস্ত্র — চীর
২৬১. ছুটছে যা — ছুটন্ত
২৬২. ছোট ছোট গাছ — গাছড়া




[জ] -এর বাক্য সংকোচন:

২৬৩. জন্মেনি যে -এর এক কথায় প্রকাশ কি?– অজ
২৬৪. জীবীত থাকার ইচ্ছা — জিজীবিষা
২৬৫. জীবিত থেকেও যে মৃত — জীবন্মৃত
২৬৬. জীবনধারণের বৃত্তি — জীবিকা
২৬৭. জানার ইচ্ছা — জিজ্ঞাসা
২৬৮. জানতে ইচ্ছুক — জিজ্ঞাসু
২৬৯. জানার যোগ্য — জ্ঞাতব্য
২৭০. জানা যায় না যা — অজ্ঞেয়
২৭১. জয় করার ইচ্ছা — জিগীষা
২৭২. জয় করার যোগ্য — বিজেয়
২৭৩. জয় করতে ইচ্ছুক—জিগীষু
২৭৩. জয়সূচক যে উৎসব — জয়ন্তী
২৭৪. জলস্রোতের শব্দ — ছলছল
২৭৫. জলপ্রবাহের ধ্বনি — ছলছলানি
২৭৬. জলে চরে যে — জলচর
২৭৭. জলে জন্মে যা — জলজ
২৭৮. জল দেখে ভয় পাওয়া — জলাতঙ্ক
২৭৯. জানু পর্যন্ত — আজানু
২৮০. জানু পর্যন্ত লম্বিত — আজানুলম্বিত
২৮১. জনগণের আবাস্থান — জনপদ
২৮২. জাহাজের আশ্রয়স্থল — পোতাশ্রয়
২৮৩. জ্বলজ্বল করছে যা — জাজ্বল্যমান
২৮৪. জানা আছে যা -এর বাক্য সংকোচন কি?—জ্ঞাত
২৮৫. জানা নেই যা — অজ্ঞাত
২৮৬. জায়া ও পতি — দম্পতি
২৮৭. জলে ও স্থলে চরে যে–এর বাক্য সংকোচন কি?-উভচর
২৮৮. জনশূন্য স্থান — নির্জন
২৮৯. জীবন পর্যন্ত — আজীবন

[ঝ]

২৯০. ঝনঝন শব্দ — ঝংকার
২৯১. ঝড়ের প্রচণ্ড ধাক্কা — ঝাপটা
২৯২. ঝাড়মোছ করা হয় যা দিয়ে — ঝাড়ন
২৯৩. ঝট করে টান — ঝটকা

[ট]

২৯৪. টোল পড়েনি এমন — নিটোল

[ঠ]

২৯৫. ঠাকুরের ভাব — ঠাকুরালি
২৯৬. ঠান্ডায় পীড়িত -এর এক কথায় প্রকাশ কি?– শীতার্ত
২৯৭. ঠিক নয় — বেঠিক
২৯৮. ঠাট্টাছলে ইঙ্গিত — ঠেসারা

[ড]

২৯৯. ডাক বহন করে যে — ডাক হরকরা
৩০০. ডুব দিতে জানে যে — ডুবুরি
৩০১. ডিঙি বাইবার দাঁড় — বৈঠা
৩০২. ডালের আগা — মগডাল

[ঢ]

৩০৩. ঢোল বাজায় যে — ঢুলি
৩০৪. ঢাক বাজায় যে — ঢাকি
৩০৫. ঢাকার অধিবাসী — ঢাকাইয়া
৩০৬. ঢাকায় প্রস্তুত — ঢাকাই
৩০৭. ঢিপির মতো — ঢ্যাপসা
৩০৮. ঢেউয়ের ফলে ছলাৎ ছল শব্দ — ছলছল
৩০৯. ঢেউয়ের ধ্বনি — কল্লোল

[ত]

৩১১. তল স্পর্শ করা যায় না যার — অতলস্পর্শী
৩১২. তেজ আছে যার — তেজস্বী
৩১৩. তাল জ্ঞান নেই যার — তালকানা
৩১৪. তিন নয়নে বা লোচন যার — ত্রিনয়না, ত্রিলোচনা
৩১৫. তির নিক্ষেপ করে যে — তিরন্দাজ
৩১৬. তবলা বাজায় যে — তবলচি
৩১৭. তন্তু দিয়ে বয়ন করে যে — তন্তুবায়
৩১৮. তর্ক করে যে — তার্কিক
৩১৯. ত্বরায় গমন করে যে — তুরগ
৩২০. তটে বা তীরে অবস্থিত  — তটস্থ
৩২১. তরঙ্গ উঠেছে যাতে — তরঙ্গায়িত
৩২২. তালু থেকে উচ্চারিত — তালব্য
৩২৩. তার মতো — তাদৃশ
৩২৪. তোপের ধ্বনি — গুড়ুম
৩২৫. তেলে যা ভাজা হয় — তেলে ভাজা
৩২৬. তুলা থেকে তৈরি — তুলট
৩২৭. তুমুল ঝগড়া — তুলকালাম
৩২৮. ত্রাণ করেন যিনি — ত্রাতা
৩২৯. তিন ফলের সমাহার — ত্রিফলা
৩৩০. তন্তু থেকে জাত — তন্তুজ
৩৩১. তন্তু দিয়ে বয়ন করে যে — তন্তুবায়
৩৩২. তিন ভাগের এক ভাগ — তেহাই
৩৩৩. তস্করের কাজ -এর এক কথায় প্রকাশ কি?– তাস্কর্য
৩৩৫. তিল তিল করে আহৃত সৌন্দর্যে নির্মিত প্রতিমা — তিলোত্তমা
৩৩৬. ত্রিকাল দর্শন করেন যিনি — ত্রিকালদর্শী
৩৩৭. তুষের আগুনের মতো মর্মদাহী — তুষানল
৩৩৮. ত্যাগ করা হয়েছে যা — ত্যক্ত
৩৩৯. তুষ্ট করা হয়েছে যা — তোষিত
৩৪০. তিন চরণ যুক্ত পদ্য — ত্রিপদী
৩৪১. তিন ফলক যুক্ত শূল — ত্রিশূল
৩৪২. তরুলতা বেষ্টিত স্থান — নিকুঞ্জ
৩৪৩. তিল মিশিয়ে রান্না করা ভাত — ত্রিসর
৩৪৪. তোমার মতো —এর এক কথায় প্রকাশ কি?– ত্বাদৃশ
৩৪৫. তনুর ভাব — তনিমা
৩৪৬. তিনটি সরলরেখা দ্বারা বেষ্টিত যে ক্ষেত্র — ত্রিভুজ
৩৪৭. তীর ছোঁড়ে যে– তীরন্দাজ
৩৪৮. তুলনা হয় না এমন — অতুলনীয়
৩৪৯. তিন রাস্তার মোড় — তেমাথা
৩৫০. তাল ঠিক নেই যার — বেতাল

[থ] -এর বাক্য সংকোচন:

৩৫১. থেমে থেমে চলার যে ভঙ্গি — ঠমক
৩৫২. থাবার আঘাত — থাপড়

[দ]

৩৫৩. দৃষ্টির অগোচরে –এর বাক্য সংকোচন কি? — অদৃশ্য




৩৫৪. দেখার ইচ্ছা — দিদৃক্ষা
৩৫৫. দ্বীপের সদৃশ — উপদ্বীপ
৩৫৬. দূরকে দেখার যন্ত্র — দূরবিন
৩৫৭. দেশের প্রতি প্রেম আছে যার — দেশপ্রেমিক
৩৫৮. দুর্লভ বিষয় বা বস্তু লাভের আশা — দুরাশা
৩৫৯. দুষ্ট বা কদর্য আলাপ — দুরালাপ
৩৬০.  দ্বীপে জন্ম হয়েছে যার — দ্বৈপায়ন
৩৬১. দর্প নাশ করে যে — দর্পহারী/দর্পনাশী
৩৬২. দ্বারে থাকে যে — দ্বারী
৩৬৩. দোহনের যোগ্য — দোহনীয়
৩৬৪. দ্রব হয়েছে যা — দ্রবীভূত
৩৬৫. দাড়ি জন্মেনি যার — অজাতশ্মশ্রু
৩৬৬. দেওয়া হয়েছে যা — দত্ত
৩৬৭. দাসের ভাব — দাস্য
৩৬৮. দুহিতার পুত্র — দৌহিত্র
৩৬৯. দ্বিতীয়বার বিবাহিতা নারী — পুনর্ভূ
৩৭০. দ্বীপ সম্বন্ধীয় — দ্বৈপ
৩৭১. দেহে, মনে ও কথায় — কায়মনোকাক্যে
৩৭২. দমন করা যায় না যাকে — অদম্য
৩৭৩. দিনে যে একবার আহার করে — একাহারী
৩৭৪. দানের যোগ্য — দাতব্য
৩৭৫. দীর্ঘ কর্ণ — কর্ণিল
৩৭৬. দেবতা থেকে উৎপন্ন বা দৈবজাত — আধিদৈবিক
৩৭৭. দিবসের প্রথম ভাগ — পূর্বাহ্ন
৩৭৮. দিবসের মধ্য ভাগ — মধ্যাহ্ন
৩৭৯. দিবসের শেষ ভাগ — অপরাহ্ন
৩৮০. দুদিকে অপ যার — দ্বীপ
৩৮১. দুবার ফল ধরে যে গাছে — দোফলা
৩৮২. দুরথীর যুদ্ধ — দ্বৈরথ
৩৮৩. দণ্ড দিবার যোগ্য — দণ্ডনীয়
৩৮৪. দুই নদীর মধ্যবর্তী স্থান — দোয়াব
৩৮৫. দুয়ের মধ্যে একটি — অন্যতর
৩৮৬. দুই বার জন্মে যে — দ্বিজ
৩৮৭. দুই অক্ষর বিশিষ্ট — দ্ব্যক্ষর
৩৮৮. দুই প্রকার অর্থ যার — দ্ব্যর্থ
৩৮৯. দুবার উক্তি –এর বাক্য সংকোচন কি? — দ্বিরুক্তি
৩৯০. দুহাত সমান চলে যার — সব্যসাচী
৩৯১. দীপ্তি পাচ্ছে যা —  দীপ্যমান

[ধ]

৩৯২. ধুলার মতো যার রং — পাংশুল
৩৯৩. ধারণ করার যোগ্য — ধারণীয়
৩৯৪. ধূপের ধোঁয়া বা গন্ধ দ্বারা সুরভিত– ধূপায়িত
৩৯৫. ধর্মে অত্যন্ত অনুরক্ত — ধর্মিষ্ঠ
৩৯৬. ধুলা ঝাড়ার কাপড় — ঝাড়ন
৩৯৭. ধনুকের ধ্বনি -এর এক কথায় প্রকাশ কি?– টঙ্কার
৩৯৮. ধনের দেবতা — কুবের
৩৯৯. ধ্যান করেন যিনি — ধ্যানী
৪০০. ধ্যানে যিনি মগ্ন — ধ্যানস্থ
৪০১. ধারা ধরে চলে যা — ধারাবাহিক
৪০২. ধী আছে যার — ধীমান
৪০৩. ধোঁয়ার ন্যায় বর্ণযুক্ত — ধোাঁয়াটে
৪০৪. ধীরে যে গমন করে — ধীরগামী
৪০৫. ধনুকের ছিলা — জ্যা
৪০৬. ধ্যান করা হয়েছে এমন — ধ্যাত
৪০৭. ধুলায় পরিণত — ধূলিসাৎ

[ন] -এর বাক্য সংকোচন:

৪০৮. নষ্ট হওয়া স্বভাব যার — নশ্বর
৪০৯. নাড়ী জ্ঞান নেই যার — আনাড়ি
৪১০. নেই শোক যার — অশোক
৪১১. নদী মাতা যার — নদীমাতৃক
৪১২. নিবারণ করা যায় না যা — অনিবার্য
৪১৩. নিন্দার যোগ্য নয় যা — অনিন্দনীয়, অনিন্দ্য
৪১৪. নিবারণ করা যায় না যা — দুর্নিবার
৪১৫. নিজেকে সামলাতে পারে না যে — অসংযমী
৪১৬. নিজেকে হত্যা করে যে — আত্মঘাতী
৪১৭. নৌকা চালায় যে — নাবিক
৪১৮. নদী মেখলা যে দেশের — নদীমেখলা
৪১৯. নিজেকে যে পণ্ডিত মনে করে — পণ্ডিতম্মন্য
৪২০. নিজেকে হীন মনে করা — হীনম্মন্যতা
৪২১. নাটকের পাত্রপাত্রী -এর বাক্য সংকোচন কি?– কুশীলব
৪২২. নূপুরের ধ্বনি  — এর বাক্য সংকোচন কি?– নিক্কন
৪২৩. নৌ চলাচলের যোগ্য — নাব্য
৪২৪. নির্বাচনের যোগ্য — নির্বাচ্য
৪২৫. নিন্দার যোগ্য — নিন্দ্য, নিন্দনীয়
৪২৬. নামের চিহ্ন — নামাঙ্ক
৪২৭. নিন্দাসূচক উক্তি — এর বাক্য সংকোচন কি?—- টিটকারি
৪২৮. নিবিড় অরণ্য — কান্তার
৪২৯. নিতান্ত দগ্ধ হয় যে সময় — নিদাঘ
৪৩০. নিশা কালে যে চরে বেড়ায় — নিশাচর
৪৩১. নিন্দা করার ইচ্ছা — জুগুপ্সা
৪৩২. নির্ভুল মুনিবাক্য — আপ্তবাক্য
৪৩৩. নলের আকারে জমানো বরফ — কুলপি
৪৩৪. নিষ্কাশিত সারবস্তু — নির্যাস

[প]

৪৩৫. পূর্বে জন্মেছে যে — এর এক কথায় প্রকাশ কি?– অগ্রজ
৪৩৬. পরে জন্মেছে যে — অনুজ
৪৩৭. পরিমিত কথা বলে যে — মিতভাষী
৪৩৮. পরিমিত আহার করে যে — মিতাহারী
৪৩৯. প্রিয় বাক্য বলে যে — প্রিয়ভাষী
৪৪০. পুত্র নাই যার — অপুত্রক
৪৪১. পৃথিবীর সাথে সম্পর্কযুক্ত যা — পার্থিব
৪৪২. পঙ্কে জন্মে যা — পঙ্কজ
৪৪৩. পড়া হয়েছে যা — পঠিত
৪৪৪. পুনঃপুন দুলছে যা — দোদুল্যমান
৪৪৫. পুনঃপুন জ্বলছে যা — জাজ্বল্যমান
৪৪৬. পুনঃপুন দীপ্তি পাচ্ছে — দেদীপ্যমান
৪৪৭. পাখির ডাক — কূজন
৪৪৮. পান করার যোগ্য — পেয়
৪৪৯. পান করার অযোগ্য — অপেয়
৪৫০. পাওয়ার ইচ্ছা — ঈপ্সা




৪৫১. প্রভাতে শোভাযাত্রা করে সমস্বরে গান করা — প্রভাতফেরি
৪৫২. পথিকের বিশ্রাম ও আহারাদি করার গৃহ — পান্থশালা
৪৫৩. পেতে ইচ্ছুক — প্রেপ্সু
৪৫৪. পা ধোয়ার পানি — পাদ্য
৪৫৫. পা থেকে মাথা পর্যন্ত — আপাদমস্তক
৪৫৬. পরিণাম চিন্তা করে যে কাজ করে — পরিণামদর্শী
৪৫৭. পণ্ডিত হয়েও যে মূর্খ — পণ্ডিতমূর্খ
৪৫৮. পড়ার উপযুক্ত — পঠিতব্য
৪৫৯. পূর্বে ছিল, এখন নেই — ভূতপূর্ব
৪৬০. প্রায় মৃত — এর এক কথায় প্রকাশ কি?– মৃতকল্প
৪৬১. পরিব্রাজকের ভিক্ষা — মাধুকরী
৪৬২. পরের অন্নে যে বেঁচে থাকে — পরান্নজীবী
৪৬৩. পরলোক সম্বন্ধীয় — পারলৌকিক
৪৬৪. পরের ভালো দেখে যার মন কাতর হয় — পরশ্রীকাতর
৪৬৫. পঙক্তিতে বসার অনুপযুক্ত — অপাঙক্তেয়
৪৬৬. প্রবল বায়ুর আঘাতজনিত শব্দ — নির্ঘাত
৪৬৭. পূর্ণিমার চাঁদ — রাকা
৪৬৮. পূর্বকাল সম্পর্কিত — প্রাক্তন
৪৬৯. প্রয়োগের পরে যে ক্রিয়া — প্রতিক্রিয়া
৪৭০. পায়ে হাঁটা — পদব্রজ
৪৭১. প্রচুর দুধ দেয় যে গাভী — পয়স্বিনী
৪৭২. প্রিয় কথা বলে যে নারী — প্রিয়ংবদা
৪৭৩. পুরুষের উদ্দাম নৃত্য — তাণ্ডব
৪৭৪. পা মোছার জন্য আস্তরণ — পাপোশ
৪৭৫. পাঁচমিশালি মসলা — পাঁচফোড়ন
৪৭৬. পান করার ইচ্ছা — পিপাসা
৪৭৭. প্রতিকার করার ইচ্ছা — প্রতিচিকীর্ষা
৪৭৮. প্রমাণ করার যোগ্য — প্রমেয়
৪৭৯. পাখি ধরার ফাঁদ বা রশি — বীতংস
৪৮০. পিতার ভ্রাতা — পিতৃব্য
৪৮১. পুরুষানুক্রমে ভোগ্য — মৌরসি
৪৮২. পলিমাটি সম্বন্ধীয় — পাললিক
৪৮৩. পশুর তুল্য আচরণ — পশ্বাচার
৪৮৪. পাপক্ষালনের জন্য কর্ম — প্রায়শ্চিত্ত
৪৮৫. পিশাচ সম্বন্ধীয় — পৈশাচিক
৪৮৬. পাহারার জন্য পদচারণ — টহল
৪৮৭. প্রথমে মধুর কিন্তু পরিমাণে নয় — আপাতমধুর

[ফ]

৪৮৮. ফুরায় না যা — অফুরন্ত
৪৮৯. ফল প্রসব করে যা — ফলপ্রসূ
৪৯০. ফুটছে এমন — ফুটন্ত
৪৯১. ফুল হতে জাত — ফুলেল
৪৯২. ফুল দিয়ে তৈরি গয়না — পুষ্পাভরণ
৪৯৩. ফুলের মতো অগ্নিকণা — স্ফুলিঙ্গ
৪৯৪. ফল পাকলে যে গাছ মরে যায় — ঔষধি
৪৯৫. ফিকা কমলা রং — বাসন্তী
৪৯৬. ফাঁস দিয়ে যে মানুষ মরে — ফাঁসুড়ে

[ব] -এর বাক্য সংকোচন:

৪৯৭. বিদেশে থাকে যে — প্রবাসী
৪৯৮. বুকে হেঁটে গমন করে যে — উদ্বাস্ত
৪৯৯. বাস্তু থেকে উৎখাত হয়েছে যে — উদ্বাস্তু
৫০০. বেশি কথা বলে যে — বাচাল
৫০১. বহু দেখেছে যে — বহুদর্শী, ভূয়োদর্শী
৫০২. বংশ পরিচয় জানা নেই যার — অজ্ঞাতকুলশীল
৫০৩. বোধ নাই যার — নির্বোধ
৫০৪. বিদ্যা আছে যার — বিদ্বান
৫০৫. বিসংবাদ নেই যাতে — অবিসংবাদিত
৫০৬. বেতন নেওয়া হয় না যাতে — অবৈতনিক
৫০৭. বীর সন্তান প্রসব করেন যে নারী — বীরপ্রসূ
৫০৮. বীর্যবতী বা সাহসী নারী — বীরাঙ্গনা
৫০৯. বলা হতে যাচ্ছে বা হবে — বক্ষ্যমাণ
৫১০. বিশ্বজনের হিতকর – এর এক কথায় প্রকাশ কি?– বিশ্বজনীন
৫১১. বহুর মধ্যে একজন — অন্যতম
৫১২. বর্ণনা করা যায় না যা — অবর্ণীয়
৫১৩. বমন করার ইচ্ছা — বিবমিষা
৫১৪. বলবার ইচ্ছা — বিবক্ষা
৫১৫. ব্যবস্থা করার ইচ্ছা — বিধিৎসা
৫১৬. বাঁচতে ইচ্ছা — জিজীবিষা
৫১৭. বৃহৎ অরণ্য — অরণ্যানী
৫১৮. বলা হয়েছে যা — উক্ত
৫১৯. বপন করা হয়েছে — উপ্ত
৫২০. বার বার পানিতে ডুবে যাওয়া ও ভেসে ওঠা — হাবুডুবু
৫২১. বাতাসে ‍উবে যায় এমন — উদ্বায়ী
৫২২. বনের অগ্নি – দাবানল, দাবাগ্নি
৫২৩. বাঘের চামড়া — কৃত্তি
৫২৪. বাঘের ডাক বা গর্জন — হালুম
৫২৫. বিহায়সে (আকাশে) গমন করে যে — বিহগ, বিহঙ্গ
৫২৬. বিজ্ঞাপন দ্বারা প্রচারিত — বিজ্ঞাপিত
৫২৭. বিজ্ঞান শিক্ষার জন্য পরীক্ষাগার — বিজ্ঞানাগার
৫২৮. বীজ বপনের উপযুক্ত সময় — জো
৫২৯. বাল্যে প্রৌঢ় তুল্য আচরণকারী — ইঁচড়ে পাকা
৫৩০. বাক্য ও মনের অগোচর — অবাঙ্মানসগোচর
৫৩১. ব্যাখ্যার যোগ্য — ব্যাখ্যেয়
৫৩২. বচনে কুশল — বাগ্মী
৫৩৩. বেদ সম্বন্ধীয় — বৈদিক
৫৩৪. বিদ্যার উৎসাহদাতা — বিদ্যোৎসাহী
৫৩৫. ব্যাকরণ জানেন যিনি — বৈয়াকরণ
৫৩৬. বাক্যের দ্বারা কৃত কলহ — বচসা
৫৩৭. বানরের ডাক — হুপ
৫৩৮. বাড়ছে যা — বাড়ন্ত
৫৩৯. বিধিকে অতিক্রম না করে — যথাবিধি
৫৪০. বংশের ঊর্ধ্বতন পুরুষ — পূর্বপুরুষ
৫৪১. বনিকের কার্য — বাণিজ্য
৫৪২. বলবার যোগ্য — বাচ্য
৫৪৩. বয়সে বড়ো — বয়োবৃদ্ধ/ বয়োজ্যেষ্ঠ
৫৪৪. বাসের যোগ্য — বাস্তব্য
৫৪৫. বিপরীত ভাব — বৈপরীত্য
৫৪৬. বিশেষভাবে দর্শন — বীক্ষণ

[ভ]

৫৪৭. ভাত প্রধান খাদ্য যার — ভেতো




৫৪৮. ভ্রমণ করা স্বভাব যার — ভ্রমর
৫৪৯. ভাবা যায় না যা — অভাবনীয়
৫৫০. ভস্মে পরিণত হয়েছে যা — ভস্মীভূত
৫৫১. ভবিষ্যৎ চিন্তা করে কাজ করে যে — দূরদর্শী
৫৫২. ভুজ বা বাহুতে ভর করে চলে যে — ভুজগ
৫৫৩. ভূ-কেন্দ্রের মুখে জড়পদার্থের আকর্ষণ — অভিকর্ষ
৫৫৪. ভিতর থেকে গোপনে ক্ষতিসাধন — অন্তর্ঘাত
৫৫৫. ভববন্ধন হতে নিষ্কৃতি — মোক্ষ
৫৫৬. ভাদ্রমাস সম্বন্ধীয় — ভাদুরে
৫৫৭. ভ্রমরের শব্দ — গুঞ্জন
৫৫৮. ভোজন করার ইচ্ছা — বুভুক্ষা
৫৫৯. ভোজন করতে ইচ্ছুক — বুভুক্ষু
৫৬০. ভ্রাতাদের মধ্যে পরস্পর সদ্ভাব — সৌহার্দ
৫৬১. ভগীরথের আনীত নদী — ভাগীরথী
৫৬২. ভুক্ত বস্তু উদগিরণ করে পুনরায় চর্বণ — রোমস্থন

[ম]

৫৬৩. মরে না যে — অমর
৫৬৪. মরতে বসেছে যে — মুমূর্ষু
৫৬৫. মধু পান করে যে — মধুপ
৫৬৬. মর্মকে পীড়া দেয় যে — মর্মন্তুদ
৫৬৭. মর্মে বেদনা দেয় যা — মর্মান্তিক
৫৬৮. মন হরণ করে যা — মনোহর
৫৬৯. ময়ূরের কণ্ঠের রং যার — ময়ূরকণ্ঠী
৫৭০. মমতা নেই যার — নির্মম
৫৭১. মীনের অক্ষির ন্যায় অক্ষি যার — মীনাক্ষি
৫৭২. মৃৎ অঙ্গ যার — মৃদঙ্গ
৫৭৩. মাটি ভেদ করে যে ওঠে — উদ্ভিদ
৫৭৪. মৃত্তিকা দ্বারা নির্মিত — মৃন্ময়
৫৭৫. মৃত্তিকা নির্মিত ভোজনপাত্র — শানকি
৫৭৬. মেঘের ধ্বনি — – এর এক কথায় প্রকাশ কি?– জীমূতমন্দ্র
৫৭৭. ময়ূরের বিস্তৃত পুচ্ছ — পেখম
৫৭৮. মুক্তি লাভের ইচ্ছা — মুমুক্ষা
৫৭৯. মুক্তি পেতে ইচ্ছুক — মুমুক্ষু
৫৮০. মুষ্টির সাহায্যে যা পরিমাপ করা যায় — মুষ্টিমেয়
৫৮১. ময়ূরের ডাক — কেকা
৫৮২. মাসের শেষ দিন — সংক্রান্তি
৫৮৩. মুগ্ধ করে যে নারী — মোহিনী
৫৮৪. মৃত গবাদি পশু ফেলা হয় যেখানে — ভাগাড়
৫৮৫. মূল সম্বন্ধীয় — মৌল, মৌলিক
৫৮৬. মনন করলে ত্রাণ পাওয়া যায় যাতে — মন্ত্র
৫৮৭. মক্ষিকাও প্রবেশ করতে পারে না যেখানে — নির্মক্ষিক
৫৮৮. মেঘে আচ্ছন্ন হওয়ার ফলে স্নিগ্ধ — মেঘমেদুর
৫৮৯. মনে যার জন্ম– মনসিজ
৫৯০. মাথার খুলি – এর এক কথায় প্রকাশ কি?– করোটি

[য] -এর বাক্য সংকোচন:

৫৯১. যে জয় করে — বিজেতা
৫৯২. যে সব জানে — সর্বজ্ঞ
৫৯৩. যে বুকে হেঁটে চলে — সরীসৃপ
৫৯৪. যে সব হারিয়েছে — সর্বহারা
৫৯৫. যে সহ্য করতে পারে — সহিষ্ণু
৫৯৬. যে সমস্তই সহ্য করে — সর্বংসহা
৫৯৭. যে একটুতেই মারামারি করতে চায় — মারকুট
৫৯৮. যে বেঁচে থেকেও মৃতবৎ — জীবন্মৃত
৫৯৯. যে সম্পত্তি স্থানান্তরিত করা যায় — অস্থাবর
৬০০. যে গাছ কোনো কাজে লাগে না — আগাছা
৬০১. যে হিসাব করে ব্যয় করে না — অমিতব্যয়ী
৬০২. যে ভূমি উর্বর নয় — অনুর্বর
৬০৩. যে পুরুষ বিয়ে করেনি — অকৃতদার
৬০৪. যে মেয়ের বিয়ে হয়নি — অনূঢ়া
৬০৫. যে নারীর সন্তান হয় না — বন্ধ্যা
৬০৬. যে নারীর স্বামী মারা গেছে — বিধবা
৬০৭. যে স্ত্রী বশীভূত — স্ত্রৈন
৬০৮. যে নারীর হিংসা নেই — অনসূয়া
৬০৯. যে নারীর স্বামী বিদেশে থাকে — প্রোষিতভর্তৃকা
৬১০. যে নারীর হাসি সুন্দর — সুস্মিতা
৬১১. যে নারীর হাসি পবিত্র — শুচিস্মিতা
৬১২. যে নারীর স্বামীও নেই সন্তানও নেই — অবীরা
৬১৩. যে নারীর সন্তান হয়ে মরে যায় — মৃতবৎসা
৬১৪. যে নারী নিজে বর বরণ করে নেয় — স্বয়ংবরা
৬১৫. যে সন্তান পিতার মৃত্যুর পর জন্মগ্রহণ করে — মরণোত্তরজাতক
৬১৬. যে বন হিংস্র জন্তুতে পরিপূর্ণ — শ্বাপদসংকুল
৬১৭. যে পুরুষ বিয়ে করেছে — কৃতদার
৬১৮. যে ব্যস্ত থেকে উৎখাত হয়েছে — উদ্বাস্তু
৬১৯. যে কৃৎসা রটায় — পিশুন
৬২০. যে তিথিতে পূর্ণচন্দ্রের উদয় হয় — পূর্ণিমা
৬২১. যে বা যা আছে — বিজিত
৬২২. যার অন্য উপায় নেই — অনন্যোপায় 
৬২৩. যার তল স্পর্শ করা যায় না — অতলস্পর্শ
৬২৪. যার আগমনের কোনো তিথি নেই — অতিথি
৬২৫. যার নাম পরিচয় জানা নেই — অজ্ঞাত 
৬২৬. যার স্ত্রী মারা গেছে — বিপত্নীক
৬২৭. যার যশ আছে – এর এক কথায় প্রকাশ কি?– যশস্বী
৬২৮. যার সর্বস্ব খোয়া গেছে — সর্বস্বান্ত
৬২৯. যার সর্বস্ব চুরি গেছে — হৃতসর্বস্ব
৬৩০. যার প্রকৃত বর্ণ ধরা যায় না — বর্ণচোরা
৬৩১. যার কোনো উপায় নেই — নিরুপায়
৬৩২. যার জিহ্বা লকলক করে — লেলিহান
৬৩৩. যার ঘৃণা নেই — নির্ঘৃণ
৬৩৪. যার রসবোধ আছে — রসিক
৬৩৫. যার পূর্ব জন্মের কথা স্বরণ থাকে — জাতিস্মর
৬৩৬. যাঁর কীর্তি শ্রবণে পূণ্য জন্মে — পুণ্যশ্লোক
৬৩৭. যার অনুরাগ দূর হয়েছে — বীতরাগ
৬৩৮. যার যশ আছে — যশস্বী
৬৩৯. যা বলা হবে — বক্তব্য
৬৪০. যা বিনষ্ট হয় না — অবিনশ্বর
৬৪১. যা গলে যায় না — অদ্রব
৬৪২. যা বার বার দুলছে — দোদুল্যমান
৬৪৩. যা লঙ্ঘন করা যায় না — অলঙ্ঘ্য
৬৪৪. যা অষ্ট প্রহর পরার যোগ্য — আটপৌরে
৬৪৫. যা মাটিভেদ করে উঠেছে — উদ্ভিদ
৬৪৬. যা দীপ্তি পাচ্ছে — দেদীপ্যমান
৬৪৭. যা বহুকষ্টে লাভ করা যায় — দুর্লভ
৬৪৮. যা বিনা যত্নে লাভ করা গিয়েছে — অযত্নলব্ধ
৬৪৯. যা সহজে লঙ্ঘন করা যায় না — দুর্লঙ্ঘ্য
৬৫০. যা সহজে মরে না — দুর্মর




৬৫১. যা সহজে দমন করা যায় না — ‍দুর্দম
৬৫২. যা সহ্য করা যায় না — দুর্বিষহ
৬৫৩. যা আছে – এর এক কথায় প্রকাশ কি?– বিদ্যমান
৬৫৪. যা সাধারণের মধ্যে দেখা যায় না এমন — অনন্যসাধারণ
৬৫৫. যা পূর্বে দেখা যায়নি এমন — অদৃষ্টপূর্ব
৬৫৬. যা অধ্যয়ন করা হয়েছে — অধীত
৬৫৭. যা জলে চরে — জলচর
৬৫৮. যা স্থলে চরে — স্থলচর
৬৫৯. যা জলে ও স্থলে চরে — উভচর
৬৬০. যা অতি দীর্ঘ নয় — নাতিদীর্ঘ
৬৬১. যা কোথায়ও উঁচু কোথাও নিচু — বন্ধুর
৬৬২. যা সহজেই ভেঙ্গে যায় — ভঙ্গুর
৬৬৩. যা ঘটবেই — ভবিতব্য
৬৬৪. যা বলার যোগ্য নয় — অকথ্য
৬৬৫. যা সরোবরে জন্মে — সরোজ
৬৬৬. যা হৃদয় বিদীর্ণ — হৃদয়বিদারক
৬৬৭. যা ভাগ করা হবে — ভাজ্য
৬৬৮. যা ভাগ করা হয়েছে — ভাজিত
৬৬৯. যা পরে ঘটবে — ভাবী, ভবিতব্য
৬৭০. যা জয় করা হয়েছে — বিজিত
৬৭১. যা জানা গিয়েছে — বিদিত
৬৭২. যা বিলীন হচ্ছে — বিলীয়মান
৬৭৩. যা বিসর্জন করা হয়েছে — বিসর্জিত
৬৭৪. যা বাইরে আছে — বহিস্থ
৬৭৫. যা পোঁতা হয়েছে — প্রোথিত
৬৭৬. যা পূর্বে দেখা হয়েছে — পূর্বদৃষ্ট
৬৭৭. যা নিঃশেষে পান করা হয়েছে — নিপীত
৬৭৮. যা খনন করা হয়েছে — নমিত
৬৭৮. যা দৃষ্টিগোচর হয়েছে — প্রত্যক্ষীভূত
৬৭৯. যা লাফিয়ে চলে — প্লবগ
৬৮০. যা নিবারণ করা কষ্টকর -এর বাক্য সংকোচন কি? — দুর্নিবার
৬৮১. যা দীপ্তি পাচ্ছে — দীপ্তমান
৬৮২. যিনি প্রথমে পথ দেখান — পথিকৃৎ
৬৮৩. যিনি ন্যায়শাস্ত্রে পণ্ডিত — নৈয়ায়িক
৬৮৪. যিনি যুদ্ধে স্থির থাকেন — যুধিষ্ঠির
৬৮৫. যিনি বিদ্যালাভ করেছেন — কৃতবিদ্যা
৬৮৬. ‍যিনি নিয়ন্ত্রণ করেন — নিয়ন্তা
৬৮৭. যাকে হত্য করা হয়েছে — নীত
৬৮৮. যাকে মুগ্ধ করা হয়েছে — মোহিত
৬৮৯. যাকে নেওয়া হয়েছে — নমিত
৬৯০. ‍যাকে শাসন করা দুঃসাধ্য — দুঃশাসন
৬৯১. যাকে সহজেই জয় করা যায় না — দুর্জয়
৬৯২. যুবতী জায়া যার — যুবজানি
৬৯৩. যুদ্ধের জন্য ইচ্ছুক — যুযুৎসু

[র]

৬৯৪. রোদন করেছে যে — রোরুদ্যমান
৬৯৫. রব শুনে এসেছে যে — রবাহুত
৬৯৬. রন্ধনের যোগ্য — পাচ্য
৬৯৭. রক্ষা করার যোগ্য — রক্ষণীয়
৬৯৮. রাত্রি ও দিবসের সন্ধিক্ষণ — গোধূলি
৬৯৯. রেশমের দ্বারা তৈরি — রেশমি
৭০০. রস আস্বাদন করা হয় যার দ্বারা — রসনা 
৭০১. রেখা দিয়ে প্রস্তুত — রৈখিক
৭০২. রাজা কর্তৃক প্রেরিত দূত — রাজদূত

[ল]

৭০৩. লাভ করার ইচ্ছা — লিপ্সা
৭০৪. লোহার মতো শক্ত — অয়স্কঠিন
৭০৫. লোক গণনা — আদমশুমারি
৭০৬. লোক সম্বন্ধীয় -এর বাক্য সংকোচন কি? — লৌকিক
৭০৭. লাফিয়ে পার হওয়া — টপকানো
৭০৮. লয় প্রাপ্ত হয়েছে যা — লীন

[শ]-এর বাক্য সংকোচন:

৭০৯. শৃঙ্খলা মানে না যে — উচ্ছৃঙ্খল
৭১০. শত্রুকে জয় করে যে — শত্রুজিৎ
৭১১. শিক্ষা করছে যে — শিক্ষানবিস
৭১২. শত্রু বধ করে যে — শত্রুঘ্ন
৭১৩. শিক্ষা লাভ উদ্দেশ্য যার — শিক্ষার্থী
৭১৪. শুভক্ষণে জন্ম যার — ক্ষণজন্মা
৭১৫. শ্রদ্ধা ভক্তি দূর হয়েছে যার — বীতশ্রদ্ধ
৭১৬. শরৎকাল সম্বন্ধীয় — শারদীয় 
৭১৭. শহর সম্বন্ধীয় — শহুরে
৭১৮. শাসন করা যায় যাকে — শিষ্য
৭১৯. শৈশব কাল থেকে — আশৈশব
৭২০. শক্তিকে অতিক্রম না করে — যথাশক্তি
৭২১. শত পাপড়ি বিশিষ্ট — শতদল
৭২২. শ্রদ্ধার যোগ্য — শ্রদ্ধেয়
৭২৩. শত অব্দের সমাহার — শতাব্দী
৭২৪. শুনা হচ্ছে যা — শ্রুয়মান
৭২৫. শ্রবণ করা হয়েছে এমন — শ্রুত
৭২৬. শিয়ালের ডাক — হুক্কাহুয়া
৭২৭. ষোল বয়স বয়স্কা -এর বাক্য সংকোচন কি? — ষোড়শী

[স]

৭২৮. সহজে ভয় পায় যে — ভীরু , ভীতু




৭২৯. স্পৃহা হারিয়েছে যে — বীতস্পৃহা
৭৩০. সহযে বুঝা যায় না যা — সুবোধ্য
৭৩১. সাপের খোলস — নির্মোক
৭৩২. সমুদ্র থেকে হিমাচল পর্যন্ত — আসমুদ্রহিমাচল
৭৩৩. সমস্ত জীবন ব্যাপী — যাবজ্জীবন
৭৩৪. সাক্ষাৎ দ্রষ্টা — সাক্ষী
৭৩৫. সাহিত্যে নিপুন — সাহিত্যিক
৭৩৬. সমতার ভাব — সাম্য
৭৩৭. সর্বজনের হিতকর — সর্বজনীন
৭৩৮. সম্মুখে অগ্রসর হয়ে অভ্যর্থনা — প্রত্যুদগমন
৭৩৯. সুন্দর হৃদয় যার — সৃহৃদ
৭৪০. সভার সদস্য — সভ্য
৭৪১. স্ত্রীর সঙ্গে বর্তমান — সস্ত্রীক
৭৪২. সহজে যা পাওয়া যায় না — দুষ্প্রাপ্য
৭৪৩. সিংহের ডাক — সিংহনাদ
৭৪৪. সুদে টাকা খাটানো — তেজারতি
৭৪৫. সংসারের প্রতি বিরাগ — নির্বেদ

[হ] -এর বাক্য সংকোচন:

৭৪৬. হরিণের চামড়া — অজিন
৭৪৭. হাতির ডাক — বৃংহগ/বৃংহতি
৭৪৮. হাঁসের ডাক — প্যাঁক প্যাঁক
৭৪৯. হেমন্তে জাত — হৈমন্তিক
৭৫০. হরণের ইচ্ছা — জিহীর্ষা 
৭৫১. হত্যা/হনন করার ইচ্ছা — জিঘাংসা
৭৫২. হত্যা করতে ইচ্ছুক যে — জিঘাংসু
৭৫৩. হস্তী রাখার স্থান — পিলখানা 
৭৫৪. হৃত হয়েছে সর্বস্ব যার — হৃতসর্বস্ব
৭৫৬. হৃদয় সম্পর্কিত -এর বাক্য সংকোচন কি? — হার্দিক
৭৫৭. হস্তী তাড়নের নিমিত্ত ব্যবহৃত লৌহদণ্ড — অঙ্কুশ